রোববার, ২৪ মে ২০২৬ , ০৮:০২ পিএম
সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, গাজীপুরের বিআরটি প্রকল্প যারা নিয়েছিল, তারা একটি ত্রুটিযুক্ত প্রকল্প নিয়েছিল। এই প্রকল্পটি বাস চলাচলবান্ধব ছিল না।
রোববার (২৪ মে) বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ গণসচেতনতামূলক সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রথম প্রস্তাব এই প্রকল্পে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যায় করলে সুফল পাওয়া যাবে। দ্বিতীয় প্রস্তাব হচ্ছে এই প্রকল্পটি ভেঙে অপসারণ করতে হবে। দুটি প্রস্তাবই পর্যালোচনা করে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি করেছি। সেই কমিটিতে পর্যালোচনা চলছে, ঈদের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রকল্পটি যদি চালু রাখতে পারি, তাহলে আমার মনে হয়েছে প্রকল্পটি উচ্ছেদ করার থেকে আরও বেশি কাজে লাগানো সম্ভব হবে। তবে যেটা যুক্তিযুক্ত এবং জনবান্ধব, সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে।
ঈদযাত্রা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা যারা দায়িত্বে বসে আছি, আমাদের তখনই ঈদ মনে হয় যখন শুনি ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরেছে। সড়ক ফাঁকা হয়েছে। আজকের সভায় আমি উপস্থিত হতে পেরে আনন্দিত। আজকে পরিবহনসংশ্লিষ্ট আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন, আপনাদের কাছে আমি একটি দাবি করে যাচ্ছি- এই ঈদযাত্রায় হাজার হাজার মানুষ যাতে স্বস্তিতে নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে। আপনারা সাধারণ মানুষ এবং পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা যদি আমাদের জন্য এই কাজটা করেন, তাহলে আমরাও কথা দিচ্ছি আপনাদের দাবিগুলোও আমরা বাস্তবায়ন করব।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান, সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিআরটিসি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফ উদ্দীন, জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান, হাইওয়ে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি এম এ বাতেন, মহাসচিব মো. সাইফুল আলম ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবীর খান।
আরটিভি/এসকেডি