নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় তিনটি বিদেশি পিস্তল, গুলি, ম্যাগাজিন এবং রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুর রাহিমকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তার সঙ্গে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও গত নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থী বোরহান উদ্দিনের একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে।
ছবিটিতে দু’জনকে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এছাড়া গ্রেপ্তার আব্দুর রাহিমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জামায়াতপন্থি বিভিন্ন পোস্টও পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
তবে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওই যুবকের সঙ্গে দলটির কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই। সোমবার (৮ জুন) রাতে দেওয়া এক প্রতিবাদলিপিতে বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মো. আবু জায়েদ জানান, নির্বাচনি প্রচারণার সময় প্রার্থীর সঙ্গে সাধারণ মানুষের ছবি তোলা স্বাভাবিক ঘটনা। একটি ছবি ব্যবহার করে কাউকে দলের কর্মী বা সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করা ঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।
প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, গ্রেপ্তার আব্দুর রাহিম স্থানীয় ছাত্রদল নেতা রাকিবুল হাসান সম্রাটের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি এবং জব্দ হওয়া মোটরসাইকেলটি ওই নেতার বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপি অপপ্রচার চালিয়ে জামায়াতকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
অন্যদিকে, পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় বেগমগঞ্জ থানার বাংলাবাজার থেকে গোপালপুরগামী সড়কের গোপালপুর ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে আব্দুর রাহিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, আট রাউন্ড গুলি ও তিনটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি রেজিস্ট্রেশনবিহীন রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আব্দুর রাহিম বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বসন্তবাগ (ভূঁইয়া বাড়ি) এলাকার জসিম উদ্দিনের ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আরটিভি/এসকে




