ঘূর্ণিঝড় 'মোরায়' মহেশখালী লণ্ডভণ্ড হয়ে যাচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। বাড়ছে বাতাসের গতিবেগ ও জোয়ারের উচ্চতা। এছাড়া প্রচণ্ড বগে বাতাস বইছে মহেশখালী দ্বীপে। বিভিন্ন সড়কে গাছ পড়ে ও চলমান গাড়ি বিকল হয়ে সড়ক বন্ধ হয়ে আছে।
মহেশখালী দ্বীপের ধলঘাটা, মাতারবাড়ি, সোনাদিয়া ও তাজিয়াকাটা এলাকা জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ আরটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন, ৩০ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হয়েছে।
তিনি বলেন, আজ মঙ্গলবার সকালে পৌনে ৬টার দিকে টেকনাফ উপকূল দিয়ে অতিক্রম করতে শুরু ঘূর্ণিঝড়টি। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকা দিয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’সামান্য উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে এ আঘাত হানে। উপকূলে আঘাত হানার সময় মোরা’র গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার। এর প্রভাবেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ধমকা হওয়াসহ বৃষ্টি হচ্ছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের জানিয়েছে, ভোর চারটার দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন এলাকা অতিক্রম করতে শুরু করে। ঝড়ে সেন্টমার্টিনের দুই শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি জানান।
কক্সবাজার সমুদ্র উপকূল এখন উত্তাল। এছাড়া সেন্টমার্টিন ও কুয়াকাটায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এখন হালকা বৃষ্টি ও শীতল হাওয়া বইছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগরের গর্জন দানবীয় আকারে রূপ নিচ্ছে।

সি/
- চট্টগ্রামে ৪৭৯ কক্সবাজারে ৫৩৮ আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত
- ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ : চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে পণ্য ওঠানামা বন্ধ
- ঘূর্ণিঝড় 'মোরা' : সব ডাক্তার ও কর্মকর্তার ছুটি বাতিল
- ধেয়ে আসছে ‘মোরা’: চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত (ভিডিও)
- বিপদ এড়াতে সারাদেশে নৌ চলাচল বন্ধ
- ঘূর্ণিঝড় 'মোরা' : চট্টগ্রামের সব ডাক্তার-কর্মকর্তার ছুটি বাতিল
- ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ উপকূল অতিক্রম করবে মঙ্গলবার সকালে
- ‘মোরা’ মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার
- ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ : ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত
- ভিয়েনা থেকে সার্বক্ষণিক খোঁজ নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
