কম বয়সেই হাড় ক্ষয় রোধে সচেতন হতে হবে

আরটিভি নিউজ

শুক্রবার, ১৮ মার্চ ২০২২ , ১০:৪০ এএম


কম বয়সেই হাড় ক্ষয় রোধে সচেতন হতে হবে

বর্তমানে হাড়ের সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যায়। বিশেষ করে বয়স বাড়ার সাথে সাথে সমস্যাটি আরও বেশি হয়ে ওঠে। হাড়ের মূল উপাদান আমিষ, কোলাজেন ও ক্যালসিয়াম। প্রাকৃতিক নিয়মেই ৩০ বছরের পর থেকে হাড়ের ঘনত্ব ও পরিমাণ কমতে থাকে। ৫০ থেকে ৬০ বছরের দিকে হাড় অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে।

বয়স বাড়তে থাকার এক পর্যায়ে অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি নারীর বেলাতে বেশিই থাকে। বোন হেলথ অ্যান্ড অস্টিওপোরোসিস ফাউন্ডেশন বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্তদের মধ্যে ৮০ শতাংশই নারী। পঞ্চাশোর্ধ নারীর বেলায় প্রতি দুই জনে একজন হাড় ভাঙ্গা সমস্যায় ভোগেন এই অস্টিওপোরোসিস থেকেই।

নারীদের এ রোগের ঝুঁকি বেশি কেন?

নারীর হাড় পুরুষের চেয়ে ছোট ও সরু হয়। সাধারণত ইস্ট্রোজেন হরমোন নারীর হাড়কে সুরক্ষা দেয়। কিন্তু মেনোপজের পর এই হরমোন খুব দ্রুত কমে আসতে থাকে, তখনই হাড় ক্ষয় বাড়তে শুরু করে। বয়স্কদের এ রোগ বেশি হলেও ২০, ৩০ এবং ৪০ বছরের নারীরাও অস্টিওপোরোসিসে আক্রান্ত হতে পারেন। তরুণীদের মধ্যে যাদের হাড়ের ঘনত্ব কম, তাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে অস্টিওপোরোসিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

করণীয় কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যালসিয়াম ও ফসফেট এমন দুটি খনিজ, যা স্বাভাবিক হাড় গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। বাড়ন্ত বয়সে ও যৌবনে শরীরের হাড় গঠন করতে এ খনিজগুলো কাজ করে।

এজন্য মেনোপজ হওয়ার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাড়ের ঘনত্ব, হাড়ে খনিজের পরিমাণ পরীক্ষা করে দেখতে হবে। গর্ভবতী নারীকে অবশ্যই তার সন্তানের সুগঠিত হাড়ের জন্য ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি খেতে হবে। ভালো খাবারের পাশাপাশি মজবুত হাড়ের জন্য নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই।

চিকিৎসকরা বলছেন, সুস্থ জীবন যাপন ও অভ্যাস হাড়কেও সুস্থ রাখে এবং বয়স হলে অস্টিওপোরোসিস হওয়া ঠেকায়।

চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি কথা আছে— প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। প্রতিরোধ শুরু করতে হবে শিশুকাল থেকেই। যাতে শিশুকাল থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত আমাদের হাড়ের ঘনত্ব অনেক বেশি থাকে।

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission