images

বাংলাদেশ

আইসেসকোকে বাংলাদেশে ইসলামিক কালচার অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার প্রতিষ্ঠার আহ্বান উপদেষ্টার

বুধবার, ০২ জুলাই ২০২৫ , ০৬:২৮ এএম

আইসেসকোকে বাংলাদেশে ‘ইসলামিক কালচার অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) মরক্কোর রাবাতে ইসলামিক বিশ্ব শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা–আইসেসকোর সদর দপ্তরে সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. সালিম এম. আল মালিকের সঙ্গে এক বৈঠকে এ প্রস্তাব দেন তিনি।

বৈঠকে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ সরকার উন্নয়ন কার্যক্রমে তরুণদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। যুব সমাজের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরে তিনি এসব কার্যক্রমে আইসেসকোর সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে ইসলামী সংস্কৃতি ও ভাষা বিষয়ে জ্ঞানের পরিসর বৃদ্ধি এবং গবেষণার সুযোগ তৈরি করতে একটি ‘ইসলামিক কালচার অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

এছাড়া, আইসেসকোর অন্যান্য দেশে পরিচালিত প্রকল্পের আদলে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে স্মার্ট ক্লাসরুম সম্প্রসারণে সহায়তার অনুরোধ জানান তিনি।

বৈঠকে ড. সালিম বাংলাদেশের তরুণদের কর্মক্ষমতা ও সম্ভাবনার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আইসেসকোর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ নিয়মিত আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে সংস্থার কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলাদেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গবেষণামূলক নানা প্রকল্পে কাজ করতে সংস্থাটি আগ্রহী বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আইসেসকোর আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে বাংলাদেশের তরুণদের যুক্ত করতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হবে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাফল্যের কথা তুলে ধরে ড. সালিম বলেন, এই অভিজ্ঞতা মুসলিম বিশ্বের জন্য অনুসরণযোগ্য। আইসেসকোর জলবায়ু কর্মসূচিতে বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করতে চান তিনি। এ ছাড়া, সংস্থার উচ্চপর্যায়ে একজন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ যুক্ত করারও আগ্রহের কথা জানান। বৈঠকে আইসেসকো ভুক্ত আফ্রিকান দেশগুলোতে বাংলাদেশের সহায়তায় গ্রামীণ ব্যাংক মডেলের ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্প চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয়পক্ষ ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বৈঠক শেষে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ আইসেসকোর সদর দপ্তরে অবস্থিত ‘দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফেয়ার অ্যান্ড মিউজিয়াম অব দ্য প্রফেট মুহাম্মদ (সা.) অ্যান্ড ইসলামিক সিভিলাইজেশন’ পরিদর্শন করেন। 

এ সময় বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও ইসলামি সংস্কৃতি ভবিষ্যতে এই জাদুঘরের প্রদর্শনীর অংশ হতে পারে এবং বাংলাদেশেও অনুরূপ একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আরটিভি/এএএ