images

ক্যাম্পাস

ইবি শিক্ষিকাকে গলা কেটে হত্যা, জানা গেল আসল রহস্য

বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬ , ০৭:১৫ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া লুনার গলায় ছুরি চালিয়েছেন ফজলু নামে এক কর্মচারী। পরে নিজের গলায়ও ছুরি চালিয়েছেন একই বিভাগের সাবেক এই কর্মচারী।

বুধবার (৪ মার্চ) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্তর্ভুক্ত সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যানের রুমে এই ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জানা যায়, সম্প্রতি বেতন নিয়ে ঝামেলা হওয়ার পর ফজলুকে সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়। মূলত এই ক্ষোভ থেকেই এই কাজ করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন
Web-Image---Copy

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর 

ঘটনার সময় ক্যাম্পাসে কর্তব্যরত এক আনসার সদস্য জানান, তখন আমরা এখানে ৪ জন মিলে গল্প করছিলাম। এ সময় আমাদের সঙ্গে ৩-৪ জন সিভিল লোকও ছিলেন। হঠাৎ করে আমরা বাঁচাও বাঁচাও শব্দ শুনি। তারপর একসঙ্গে ভবনের ওপরে উঠে চেয়ারম্যানের রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে ডাকাডাকি করি। 

পরে দরজা না খুললে ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করি। তারপর দেখি যে ম্যাডাম উপুড় হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে আছেন। আর কর্মচারী নিজে নিজেই গলায় ছুরি চালাচ্ছেন। পরে আমরা প্রশাসনের কাছে ফোন দেই।

বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ জানান, ফজলুকে বদলি করা হয় আজ থেকে প্রায় ২ থেকে ১ মাস আগে। তবে উনি এটা মেনে নিতে পারছিলেন না। এটা নিয়ে অনেক রেষারেষিও হচ্ছিল। তবে এরকম যে পর্যায়ে যাবে এটা আমরা ভাবতেও পারিনি।

তিনি বলেন, ফজলু এটা মেনে নিতে পারেননি। কারণ উনি প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মচারী ছিলেন। পরে ওনাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করা হয়।

তিনি বলেন, ওনাকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে বদলি করা হয়। আর উনি এখন এমন সাংঘাতিক একটা ডিসিশন নেবে আমরা ভাবতেও পারিনি। আমরা ওদিকে ব্যস্ত ছিলাম। ডিপার্টমেন্টে হাবিব স্যার ছিল। উনি ৩০ মিনিট আগে ডরমেটরিতে চলে যান। 

আমাদের ৫টায় প্রোগ্রাম শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর মাঝে ডিপার্টমেন্টে কোনও কর্মচারী, কর্মকর্তা কেউ ছিলেন না। আমরা ছিলাম ওই রুমে। এই সুযোগে উনি এই আত্মঘাতী ঘটনাটি ঘটালেন। ম্যামের রুম আগে থেকে লক করা ছিল না। ওই কর্মচারী ঢুকে লক করে দেন।

আরটিভি/এমআই