সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ , ০৭:৪৩ পিএম
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পরপরেই তা প্রতীকীভাবে কার্যকর করেছে একটি সংগঠন।
তারা সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ প্রতীকী ফাঁসির কার্যকরের দৃশ্য মঞ্চায়ন করে।
ঘটনাস্থলে দেখা যায়, মৌলিক বাংলা নামের একটি সংগঠনের কর্মীরা নারীর মতো একটি কুশপুত্তলিকাকে জল্লাদের সাজে দুজন ধরে ফাঁসির মঞ্চে তুলছেন। পুতুলটির মুখে শেখ হাসিনার ছবি লাগানো।
এরপর সেটির মুখে কালো কাপড় পেঁচিয়ে দেওয়া হয়। এসময় একজনকে ম্যাজিস্ট্রেটের ভূমিকায় রুমাল হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তিনি রুমাল ছেড়ে দেওয়ার পর জল্লাদের ভূমিকায় থাকা দুজন পুতুলটিকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়ে দেন।
আয়োজকরা জানান, তারা এই দৃশ্য মঞ্চায়ন করে মূলত সরকারকে অভয় দিচ্ছেন। যাতে সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে অনুরূপ দৃশ্য দেশবাসীকে দেখাতে পারে।
এসময় সংগঠনটির নেতারা শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) ভারতীয় দূতাবাসে স্মারকলিপি দেওয়ার কথাও জানান।
এর আগে, জুলাই গণহত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে ফাঁসির আদেশ দিয়ে রায় ঘোষণা করেন বিচারক। একই আদেশে দোষ স্বীকার করা রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত। দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একটি অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হওয়ায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে আইনজীবীরা ছাড়াও জুলাই আগস্টে নিহতদের কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আরটিভি/এএইচ