images

রাজধানী

স্ত্রীর সঙ্গে শেষ যে কথা হয়েছিল মুছাব্বিরের

বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ , ০৬:০২ পিএম

রাজধানীর কারওয়ানবাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির। তার মৃত্যুতে স্ত্রী ও তিন সন্তানকে রেখে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবার। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন নিহতের স্বজনরা।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে তেজগাঁও থানায় ৪–৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম।

গণমাধ্যমকে সুরাইয়া বেগম জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় মুছাব্বির তাকে বলেছিলেন, তুমি একটা কফি বানিয়ে দাও, আমি নামাজ পড়ে বের হবো। সেটিই ছিল তাদের শেষ কথা। তিনি বলেন, বাইরে গেলে প্রয়োজন ছাড়া স্বামী বাসায় ফোন দিতেন না।

হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করে তিনি বলেন, সিসিটিভি ফুটেজে পুরো ঘটনা ধরা পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এগুলো দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করি।

তিনি আরও বলেন, এ ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে, এখনও ঘটছে। সুষ্ঠু তদন্ত না হলে ভবিষ্যতে আরও অনেক পরিবার আমার মতো নিঃস্ব হয়ে যাবে।

স্বামীর হত্যার কোনো কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত নন জানিয়ে সুরাইয়া বেগম বলেন, প্রায় ২০ বছর ধরে পানির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মুছাব্বির। রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর তিনি সরাসরি ব্যবসা না দেখলেও লোকজনের মাধ্যমে তা পরিচালনা করতেন। ব্যবসা নিয়ে কোনো বিরোধ ছিল বলে তার জানা নেই।

আরও পড়ুন
musabbir

‘যেকোনো সময় মেরে ফেলবে আমাকে’, স্ত্রীকে প্রায়ই বলতেন মুসাব্বির

উল্লেখ্য, বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে কারওয়ানবাজারের স্টার কাবাবের পেছনের গলিতে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বস্তা নিয়ে বসে থাকা দুই ব্যক্তি হঠাৎ পিস্তল বের করে পেছন থেকে তাকে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেও উঠে পালানোর চেষ্টা করেন মুছাব্বির। এ সময় তার মোবাইল ফোন পড়ে গেলে সেটি নিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

ঘটনায় মুছাব্বিরের সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান মাসুদ নামের আরেকজন গুলিবিদ্ধ হন। তিনি বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আরটিভি/এসকে