সোমবার, ১১ মে ২০২৬ , ০৯:২৯ পিএম
রাজধানীর তুরাগে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় থেকে কামরুন নাহার (২৮) নামে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্বজনের অভিযোগ, তাকে হত্যা করা হয়েছে।
কামরুন নাহারের দেবর জেমস হামিম বলেন, তুরাগের নলভোগ এলাকায় স্বামী মনিরুল ইসলামের সঙ্গে থাকতেন কামরুন নাহার। তিনি স্থানীয় রূপায়ন সিটি সংলগ্ন এলাকায় তাসমি ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। প্রতিষ্ঠানটি কাঁকড়া ও কুঁচে মাছ বিদেশে রপ্তানি করে।
তিনি বলেন, আজ সোমবার (১১ মে) সকাল ৯টার দিকে তিনি কর্মস্থলে যান। এর ঘণ্টাখানেক পর সেখানকার রান্নাঘরে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়। বিষয়টি খুবই সন্দেহজনক। হঠাৎ তিনি কেন আত্মহত্যা করতে যাবেন? আমাদের ধারণা, প্রতিষ্ঠানটির মালিক শিশির কুমার দাসের সঙ্গে তাঁর কোনো ঝামেলা ছিল। এর জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়।
জেমস হামিম বলেন, কামরুন নাহারের মৃত্যুর পর শিশির কুমার পুলিশের কাছে ৪৫ হাজার টাকা ও কিছু স্বর্ণের গহনা হস্তান্তর করেছেন। মৃতের এই টাকা–গহনা নাকি তাঁর কাছে রাখা ছিল। কিন্তু নিজের কাছে না রেখে তিনি কেন মালিকের কাছে সেগুলো রেখেছেন তা স্পষ্ট নয়। এ ঘটনায় আমরা হত্যা মামলা করতে চাইলেও পুলিশ তা নিতে রাজি হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তুরাগ থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, যে ঘরে ওই নারীর ঝুলন্ত মৃতদেহ পাওয়া যায়, সেটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। কেউ তাকে হত্যা করেছেন এমন আলামত এখনও পাওয়া যায়নি। এ কারণে অস্বাভাবিক মৃত্যু (ইউডি) মামলা নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তে হত্যার প্রমাণ পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরটিভি/কেডি