বুধবার, ১৩ মে ২০২৬ , ০৯:২৯ পিএম
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ পুরনো ভবনগুলো ভেঙে আধুনিক ও সুবিধাসংবলিত ১৮টি বহুতল আবাসন নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
একই সঙ্গে ভবন নির্মাণকালীন বিকল্প আবাসন, গ্যাস-পানি সমস্যার সমাধান এবং শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও উপাসনালয় নিশ্চিত করতে কাজ করছে ডিএসসিসি।
বুধবার (১৩ মে) দুপুরে রাজধানীর দয়াগঞ্জে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিবাস পরিদর্শন শেষে উপস্থিত কর্মী ও স্থানীয় সুধীজনের উদ্দেশে এসব কথা বলেন তিনি।
বিদ্যমান ভবনগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থার কথা উল্লেখ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, বর্তমান ভবনগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন ভবন নির্মাণের আগে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হবে। আপনারা যত দ্রুত সহযোগিতা করবেন, আমরা তত দ্রুত আধুনিক আবাসন নির্মাণ সম্পন্ন করতে পারব।
তিনি জানান, মিরনজিল্লা, ধলপুর, গণকটুলি, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী ও পোস্তগোলাসহ বিভিন্ন কলোনিতে ১৮টি বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে।
ডিএনসিসি প্রশাসক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার পাবেন। আবাসন প্রকল্পে মন্দির ও শিশুদের খেলার মাঠ থাকবে। কর্মীদের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া হবে এবং গ্যাস বিল ডিএসসিসির পক্ষ থেকে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় আট ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করতে হবে। ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দেন তিনি।
শহর পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে প্রশাসক বলেন, নাগরিকরা সচেতন না হলে শুধু পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দিয়ে শহর পরিষ্কার রাখা সম্ভব নয়। ড্রেন বা খালে ময়লা ফেলার কারণেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। নগরবাসীকে এ বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে।
পরিদর্শনকালে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরটিভি/এসআর