images

রাজধানী

ঢাকায় ট্রাফিক পুলিশকে মারধর, নারীসহ ৩ জনের শাস্তি

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬ , ০৪:২৩ পিএম

রাজধানী ঢাকার হোটেল সোনারগাঁও সিগন্যালে ট্রাফিক আইন অমান্য করতে নিষেধ করায় এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ভিডিও ধারণ করতে যাওয়ায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে মারধর ও মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলার ঘটনায় নারীসহ তিনজনকে সাজা ও জরিমানা করেছেন তেজগাঁও বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের নাম আফিয়া কনক (৪৫), শামসুজ্জামান (৫১) ও রাজু আহম্মেদ (২৯) বলে জানা গেছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এন এম নাসিরুদ্দিন নিশ্চিত করেছেন এ তথ্য।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের বরাত দিয়ে তিনি জানান, শনিবার বিকেল আনুমানিক পৌনে ৫টায় হাতিরঝিল থানাধীন হোটেল সোনারগাঁওয়ের বহির্গমন (ভিতরের) গেট থেকে দুটি গাড়ি মেইন রাস্তায় বের হয়। এ সময় সোনারগাঁও সিগন্যালের উত্তর পাশের যানবাহন চলাচলের সিগন্যাল চালু থাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক কনস্টেবল মো. শামীম মিয়া গাড়ি দুটিকে পেছনে যেতে বলেন। এ সময় গাড়িটি ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করে জোরপূর্বক সামনে এগোতে থাকে। গাড়ি থেকে ৪-৫ জন লোক নেমে এসে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে বলেন, গাড়িতে ভিআইপি আছে, পেছানো যাবে না। এ সময় ট্রাফিক কনস্টেবল শামীম মিয়া আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্দেশ্যে গাড়িটির নেম প্লেটের ভিডিও করতে গেলে গাড়ি থেকে ভিআইপি নারী আফিয়া কনক নেমে এসে পুলিশ সদস্যের মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন এবং রাস্তায় ছুঁড়ে মেরে ভেঙে ফেলেন। একইসঙ্গে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যকে মারধর করা হয়।

আরও পড়ুন
matijhil

ঢাকায় দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি

ডিসি এন এম নাসিরুদ্দিন আরও জানান, ঘটনার পর পরই ঘটনাস্থল থেকে গাড়িটি আটক করা সম্ভব না হলেও, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অতিথি গ্রুপের দুই সিকিউরিটি কর্মী রাজু আহমেদ ও শামসুজ্জামানকে আটক করে হাতিরঝিল থানায় সোপর্দ করা হয়। পরবর্তীতে ঘটনার মূল হোতা আফিয়া কনকসহ তিন আসামিকে তেজগাঁও বিভাগের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সড়ক পরিবহন আইনের ধারা মোতাবেক আফিয়া কনককে ১০ হাজার টাকা ও রাজুকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া, ঘটনার সঙ্গে জড়িত শামসুজ্জামানকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম