images

রাজধানী

ঢাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মামা-ভাগনির মৃত্যু

শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ , ০১:০৭ পিএম

রাজধানীর ভাটারায় গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দুইদিন আগে দগ্ধ হন একই পরিবারের তিনজন। এর ঘটনায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাত্র ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে মৃত্যু হয়েছে দুজনের। দগ্ধ অন্যজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।  

নিহত দুজনের নাম মো. শাহীন (২৪) ও হাফসা (৮) বলে জানা গেছে। সম্পর্কে তারা মামা-ভাগনি। 

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে শিশু হাফসা এবং শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে শাহীনের মৃত্যু হয়।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে রাজধানীর ভাটারার নতুন বাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার বাসায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধ হওয়ার পরপরই তিনজনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়েছিল।

আরও পড়ুন
1

কম্বোডিয়ায় চাকরির প্রলোভনে নারী পাচার, মূলহোতা গ্রেপ্তার

দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া প্রতিবেশী মো. জসিম জানান, নিহত শাহীন পেশায় একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। পরিবার নিয়ে নতুন বাজার ১০০ ফিট রোডের ওই ভবনের নিচতলায় থাকতেন তিনি। মঙ্গলবার ভোরের দিকে বিকট শব্দে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে হঠাৎ বিস্ফোরণ হয়। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে এনে ভর্তি করা হয়।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভাটারা এলাকা থেকে দগ্ধ হয়ে তিনজন হাসপাতালে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে শাহীন আজ সকাল ৬টায় আইসিইউতে মারা যান। তার শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এর আগে তার ভাগনি হাফসা গত রাত ১২টার দিকে আইসিইউতে মারা যায়; তার শরীরে ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় দগ্ধ শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

আরটিভি/এসএইচএম