images

রাজধানী

মতিঝিলে মেট্রোর নিচে পাতা ছিল শক্তিশালী বোমা, যা বলছে পুলিশ

শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬ , ০৭:১৬ পিএম

রাজধানীর মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে শক্তিশালী একটি বোমা (আইইডি) নিষ্ক্রিয় করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়কারী দল। এ ঘটনায় এরই মধ্যে বাদী হয়ে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেছেন মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুক্তা। 

শনিবার (২৫ জুলাই) মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার।

পুলিশের ধারণা, উল্টো রথযাত্রাকে লক্ষ্য করেই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমাটি পেতে রাখা হয়েছিল। তবে, আগেই বোমাটি শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করতে পারায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে বাদী উল্টো রথযাত্রার নিরাপত্তায় হোন্ডা মোবাইল কল সাইনে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রথযাত্রাটির রুট ছিল ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে শুরু হয়ে মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রম পর্যন্ত। সন্ধ্যার দিকে ট্রাফিক বিভাগ থেকে ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে মতিঝিলে একটি বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়ার খবর জানানো হয়।

আরও পড়ুন
seikh-hasina-house

ধানমন্ডিতে শেখ হাসিনার পরিত্যক্ত বাসভবন থেকে মরদেহ উদ্ধার 

একটি ছাতার মধ্যে রাখা ওই বোমায় মিটমিট করে আলো জ্বলার কথা বলা হয়। এরপর খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশে এসআই মুক্তা ও তার সহকর্মীরা ৬টা বিশ মিনিটে মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের জেনারেটর রুমের পাশে উপস্থিত ছাতা বোমা পাওয়ার জায়গাটি ঘিরে রাখেন। সেখানে রথযাত্রার মিছিল উপস্থিত হলে পুলিশ সদস্যরা তাদেরকে শর্ট সার্কিট হয়েছে বলে জায়গাটি পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করে।

এরপর মিছিলটি শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রমের দিকে চলে যায়। শোভাযাত্রা চলে যাওয়ার পর ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা এসে সেটি নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে বোমার আলামত হিসেবে, জিআই পাইপের খণ্ডিত অংশ, ব্যাটারি, বেয়ারিংয়ের বল পাওয়ার কথা মামলায় উল্লেখ করেছে পুলিশ।

মামলায় বলা হয়, সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনগণের জীবন বিপন্ন করার লক্ষ্যে বোমাটি সেখানে পাতা হয়েছিল।

উল্টো রথযাত্রাকে টার্গেট করেই ওই বোমাটি পাতা হয়েছিল বলে সন্দেহ প্রকাশ করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসএইচএম