বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০১৭ , ০৪:৪৬ পিএম
মোটর সাইকেলের হর্ন দেয়ার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কর্মচারীকে সহযোগীদের নিয়ে পিটিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদ বাদল। এই ঘটনায় আদালতপাড়ায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এক পুলিশ সদস্য বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও লাঞ্ছিত করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে নারায়ণগঞ্জের আদালতপাড়ায় হেফাজতের মামলায় রফিউর রাব্বির হাজিরা উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হলে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে হেফাজতে ইসলামীর মামলায় রফিউর রাব্বির সমনের দিন ধার্য্য ছিল। এ কারণে সকাল থেকে আদালতপাড়ায় আওয়ামী লীগ ও হেফাজতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা আদালতপাড়ার প্রবেশপথসহ অবস্থান নেয়।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কর্মচারী সুমন সরকার মোটর সাইকেলযোগে আদালতপাড়ায় তার কর্মস্থলে আসেন।
এসময় মানুষের জটলা দেখে তিনি মোটর সাইকেলের হর্ন বাজান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাকে কিলঘুষি মারধর করেন।
একপর্যায়ে মোটর সাইকেল আরোহী সুমন সরকারকে টেনে হেচড়ে মোটর সাইকেল থেকে নামিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত মোহাম্মদ বাদলের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
এসময় তিনি সুমনকে এলোপাথাড়ি কিল ঘুষিমেরে পেটান।
আদালতপাড়ায় উপস্থিত পুলিশ সদস্য তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ওই পুলিশ সদস্যকেও লাঞ্ছিত করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
এসজে