সোমবার, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ , ০১:৩০ পিএম
ইউটিউব দেখে রঙিন ফুলকপি চাষ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন পাবনা সদর উপজেলার বিল ভাদুরিয়া গ্রামের কৃষক আসলাম আলী। তার রঙিন ফুলকপিতে পাবনা শহরের এমনকি জেলার অন্যান্য হাটবাজারগুলোর সবজির দোকান ছেয়ে গেছে। লাভও পাচ্ছেন ভালো।

পাবনার কৃষক আসলাম আলীর দুই মেয়ে ইউটিউবে রঙিন ফুলকপির ভিডিও দেখে। এরপর তারা বাবার কাছে এই ফুলকপি চাষ করার জন্য অনুরোধ করে। তিনিও ভিডিও দেখে মুগ্ধ হয়ে এই কপি চাষ করার জন্য চিন্তা-ভাবনা করেন। প্রথমে তিনি পাবনা সদর উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ঢাকার বীজ ভান্ডারে যোগাযোগ করে বীজ নিয়ে এসে আবাদ করেন। বিঘাপ্রতি এই রঙিন ফুলকপি আবাদে তার ৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও বিক্রি করবেন দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। এই রঙিন ফুলকপির স্বাদ সাদা কপির চাইতে ভালো। বাজারে চাহিদা ও দামও অনেক বেশি। সবজির দোকানগুলোতে ক্রেতারা আসার সঙ্গে সঙ্গেই আকৃষ্ট করছে এই ফুলকপি। প্রথমবার এমন ফুলকপি দেখেই কেনার ইচ্ছাপোষণ করছেন অনেক ক্রেতা। কৌতুল আর শখের বসে ক্রেতারা রঙিন ফুল কপি কিনে হাসিমুখে বাড়ি ফিরছেন। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি সাদা ফুলকপি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হলেও রঙিন ফুল কপি বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০টা কেজি দরে।

রঙিন ফুলকপি আবাদ করে তিনি বেশ লাভবান হচ্ছেন। তাছাড়া প্রচুর মানুষ বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে কপি দেখার জন্য ভিঁড় করেন। বেশ ভালোই লাগে।
পাবনা সদর উপজেলা কৃষি অফিসার শাহানা পারভীন লাবনী বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে তারা কৃষক আসলামকে সব সময়ই পরামর্শ ও টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিয়ে আসছেন।

তিনি আরও বলেন, এগুলো জাপানি জাতের ফুল কপি। আমাদের দেশে মাত্র দুবছর আগে আবাদ শুরু হয়। পাবনাতে সাধারণ সাদা কপিই চাষ হয়, এবারই প্রথম এই রঙিন কপি চাষ করা হয়েছে।
ভবিষ্যতে কৃষক আসলাম আলীর যে কোনো সহযোগিতা লাগলে পাশে থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আগামীতে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এমন রঙিন কপি আবাদ করে এখানকার কৃষক আরও বেশি লাভবান হবেন এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।