images

দেশজুড়ে

চাঁদা না পেয়ে রাইস মিলে ভাঙচুরের অভিযোগ যুবলীগ-ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে

রোববার, ০১ জুন ২০২৫ , ০৪:০৫ পিএম

চাঁদা না দেওয়ায় পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার এক রাইস মিলে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১৫–২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিএনপি সমর্থক হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম পলাশের মালিকানাধীন বিশ্বাস রাইস মিল-এ গত ২৬ মে সন্ধ্যায় হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা মিলের ভেতর ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং চারজনকে মারধর করে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের পর মিল থেকে চার বস্তা সরিষা ও নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে সাত লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন রফিকুল।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—ধোপাদহ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ও ইউপি সদস্য ইসরাফিল প্রামাণিক (৪০) এবং নিষ্ক্রিয় ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতা মিঠু (৩৫)। ইসরাফিলের বিরুদ্ধে হত্যা, বিস্ফোরক, চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতনের একাধিক মামলা রয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বাদী রফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, চাঁদার দাবিতে বারবার হুমকি দিচ্ছিল ইসরাফিল। চাঁদা না দেওয়ায় দলবল নিয়ে আমার রাইস মিলে হামলা করে লুটপাট করেছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতা ইসরাফিল প্রামাণিক বলেন, ঘটনার দিন আমার ওয়ার্ডে একটি ঝামেলায় ছিলাম। এ সময় রফিকুলের লোকজন আমার ভাই মিন্টুর বিকাশের দোকানে হামলা চালায়। পরে নিজেরাই মিল ভাঙচুর করে আমাদের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।

নন্দনপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলী মর্তুজা বলেন, ব্যবসায়িক পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক। আমরা হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা চাই।

এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান বলেন, উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এনে ২৮ মে পৃথক মামলা করেছে। একটি মামলায় ১৭ জন এবং অন্যটিতে ৮ জন আসামি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এএএ