images

দেশজুড়ে

ঈদগাহ মাঠ নিয়ে দুই গ্রামের দ্বন্দ্ব, দুই সপ্তাহ ধরে বাজার বন্ধ

রোববার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫ , ০৯:২১ এএম

পাবনার চাটমোহর উপজেলায় ঈদগাহ মাঠের নামকরণ কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে মুলগ্রাম ইউনিয়নের স্থানীয় আটলংকা বাজারের অন্তত ২০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন দোকানিরা, দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সংকট নিরসনে এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

লিখিত অভিযোগ ও দুই গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইউনিয়নের আটলংকা বাজারের পাশে চিকনাই নদের ধারে সরকারি জমিতে একটি ঈদগাহ মাঠ রয়েছে। দুই ঈদে মাঠটিতে বন্যাগাড়ি ও আটলংকা গ্রামের বাসিন্দারা নামাজ আদায় করতেন। সম্প্রতি আটলংকা গ্রামের বাসিন্দারা মাঠটি শুধু তাদের বলে দাবি করেন। এতে ক্ষুব্ধ হন বন্যাগাড়ির বাসিন্দারা। শুরু হয় দুই গ্রামের বিরোধ। এতে ২ অক্টোবর দুই গ্রামের বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে কয়েকজন আহত হন। এর পর থেকে দুই পক্ষ একে অপরের ছায়া মাড়ানো বাদ দেন। নিজেদের মধ্যে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন গ্রাম দুটির বাসিন্দারা। একে অপরের ভয়ে বন্ধ হয়ে যায় আটলংকা বাজারের প্রায় ২০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বন্যগাড়ির বাসিন্দাদের রয়েছে প্রায় ২০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। বন্যাগাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, আটলংকার বাসিন্দারা তাদের বাজারে যেতে দিচ্ছেন না। তাই তারা দোকান খুলতে পারছেন না। অন্যদিকে একই অভিযোগ আটলংকা গ্রামের বাসিন্দাদেরও।

মুদিদোকানদার মো. হাবিবুল্লাহ বলেন, ১৫ দিন হলো দোকান খুলতে পারছি না। মালপত্র নষ্ট হচ্ছে। আমরা একটা সমাধান চাচ্ছি। 

আরও পড়ুন
Web_Image

বিয়ে না করেই ছাত্রীর সঙ্গে সংসার, অতঃপর... 

জানতে চাইলে আটলংকা গ্রামের বাসিন্দা হারেস আলী বলেন, বন্যাগাড়ি তাদের গ্রামের রাস্তা আটকে রাখা হয়েছে। রাস্তা দিয়ে আটলংকার কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। কেউ গেলে হেনস্তা করা হচ্ছে। নারীরা তাদের বাচ্চাদের স্কুলে খাবার দিতে গেলেও হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। এটা মেনে নেওয়ার মতো নয়।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুরুল জানান, ঈদগাহ মাঠের জায়গাটি সরকারি। ইতোমধ্যেই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সেখানে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু দুই গ্রামের বাসিন্দারা মাঠটি তাদের বলে দাবি করছেন। বিরোধ মীমাংসায় দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। আশা করা যায়, দু-এক দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে।

আরটিভি/এস