শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ , ০১:৫৬ পিএম
বগুড়ায় টিকটকে ভিডিও প্রকাশকে কেন্দ্র করে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী মারুফা আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মুকুল মিয়ার বিরুদ্ধে। হত্যার পর প্রমাণ গোপন করতে মরদেহ বাড়ির সেফটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার একসপ্তাহ পর অভিযান চালিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযুক্ত মুকুল মিয়া বগুড়া সদরের নুড়ুইল গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় ঢালাই মিস্ত্রি। নিহত মারুফা আক্তার পাশের পীরগাছা গ্রামের বাসিন্দা। তাদের বিয়ে হয় নয় বছর আগে।
টিকটকে ভিডিও প্রকাশকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহের জেরে গত বছরের ডিসেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। তিন মাস আগে পুনরায় বিয়ের মাধ্যমে তারা আবার সংসারে ফেরেন। নিহত মারুফা ও গ্রেপ্তার মুকুল দম্পতির ছয় বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর।
পুলিশের তদন্তে জানা যায়, গত ১১ ডিসেম্বর মারুফা তার চাচাতো বোনের বিয়েতে নাচের একটি ভিডিও টিকটকে প্রকাশ করেন। এ নিয়ে ১৩ ডিসেম্বর রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে মুকুল মিয়া মারুফাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ বাড়ির সেফটিক ট্যাংকে ফেলে দেন। পরে ১৫ ডিসেম্বর স্ত্রী নিখোঁজ দাবি করে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। গোয়েন্দা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বৃহস্পতিবার রাতে হত্যার কথা স্বীকার করলে তার দেখানো স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহতের পরিবার মামলা দায়ের করলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরটিভি/এএএ