images

দেশজুড়ে

আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে চট্টগ্রামে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনকে

সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০৫:২০ পিএম

চট্টগ্রামের হালিশহরের একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ ৯ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হচ্ছে।

বিস্ফোরণে দগ্ধরা হলেন- শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০), মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), উম্মে আইমন (৯), আয়েশা আক্তার (৪), পাখি আক্তার (৩৫) ও রানী আক্তার (৪০)।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সহকারী রেজিস্ট্রার লিটন কুমার পালিত গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ভোর ৫টার দিকে নগরীর হালিশহরের এইচ ব্লকের হালিমা মঞ্জিল নামে একটি ভবনের ৩য় তলায় এ ঘটনা ঘটে।

লিটন কুমার বলেন, হালিশহর থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ অবস্থায় ভোরে ৯ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের অবস্থা খুবই শঙ্কাজনক। তাই তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ভোর ৫টার দিকে হালিমা মঞ্জিল নামে একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার একটি বাসায় বিস্ফোরণ হয়। এরপর আগুন ধরে যায়, যা ভবনটিতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে শাখাওয়াত হোসেন, পাখি আক্তার ও রানী আক্তারের শ্বাসনালির শতভাগ পুড়ে গেছে। মো. শিপনের শ্বাসনালির ৮০ শতাংশ পুড়েছে। মো. সুমন ও মো. শাওনের পুড়েছে ৪৫ শতাংশ। তিন শিশু- মো. আনাস, উম্মে আইমন ও আয়েশা আক্তারের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

আরও পড়ুন
Web-Image10

চট্টগ্রামে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৮

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ওই বাসায় এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করা হয় না। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির গ্যাসের সংযোগ রয়েছে। কোনো কারণে চুলা থেকে হয়ত গ্যাস লিক হয়েছিল- যে কারণে রান্নাঘরে গ্যাস জমে যায়। সেই জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে সবাই দগ্ধ হয়েছেন।

আরটিভি/এমএইচজে