images

দেশজুড়ে

তারাবি পড়তে গিয়ে নিখোঁজ, বাঁশঝাড়ে মিলল শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬ , ০৪:০৫ পিএম

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে তারাবির নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হওয়ার ৫ ঘণ্টা পর বাঁশঝাড় থেকে রুবেল (৮) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের শোশাইরচর গ্রামের মাইজের বাড়ির পাশের বাশঁঝাড়ের নিচে রুবেলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে ছিল।

নিহত শিশু মো. রুবেল হোসেন মাইজের বাড়ির দিনমজুর আব্দুল কাদেরের ছোট ছেলে। সে সানকিসাইর মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের ছাত্র ছিল।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার ইফতারের পর প্রায় সাড়ে সাতটায় তারাবি নামাজ পড়তে রুবেল ঘর থেকে বের হয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। রাত ১০টার দিকে স্বজনরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও সন্ধান না পেয়ে একপর্যায়ে এলাকাজুড়ে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করেন।
এরপর রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির পশ্চিম পাশের একটি বাঁশঝাড়ে টর্চলাইটের আলো ফেললে রুবেলের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন পাশের বাড়ির কালু নামের এক ব্যক্তি। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে তারা নিশ্চিত হন, শিশু রুবেল মারা গেছে।

খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি- তদন্ত) এমদাদুল হক ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটির গলায় ফাঁসের দাগ এবং নাক-মুখে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন
Web-Image---Copy

কবরস্থান মেরামতের কাজে গিয়ে নিখোঁজ, ১৮ দিন পর শ্মশানে মিলল মরদেহ

ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটি হত্যার শিকার হয়ে থাকলে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

স্থানীয় বাসিন্দারা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের দ্রুত শনাক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আরটিভি/এমএইচজে