images

দেশজুড়ে

যাত্রীসহ পদ্মায় ডুবে গেল বাস, উদ্ধারে যাচ্ছে ঢাকা ও ফরিদপুরের ডুবুরি দল

বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬ , ০৭:৪৮ পিএম

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্ধার অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর পন্টুনে ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ নামের বাসটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। 

নিখোঁজ যাত্রীদের উদ্ধারে বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট কাজ করলেও উদ্ধার কাজে গতি আনতে ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে আরও দুটি বিশেষ ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহজাহান শিকদার জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থলে প্রাথমিক উদ্ধার কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিসের স্থানীয় ইউনিট। তবে বাসটি পানির অনেক নিচে তলিয়ে যাওয়ায় এবং বহু প্রাণহানির আশঙ্কা থাকায় ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে বিশেষজ্ঞ ডুবুরিদের তলব করা হয়েছে। দ্রুতই তারা উদ্ধার অভিযানে যোগ দেবেন।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার পরপরই বিআইডব্লিউটিএ-র উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে। কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা এই বাসটিতে আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। 

আরও পড়ুন
7

ফেরিতে ওঠার সময় নদীতে যাত্রীবাহী বাস, ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা

বাসটি নদীতে পড়ার কয়েক মুহূর্তের মধ্যে মাত্র ৭-৮ জন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠতে সক্ষম হন। বাকি অন্তত ৩০ জনের বেশি যাত্রী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

নদী থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা আব্দুল আজিজ নামের এক যাত্রী কান্নাভেজা কণ্ঠে জানান, “চোখের পলকে বাসটি নদীতে পড়ে গেল। আমি কোনোমতে জানালা দিয়ে বেরিয়ে পাড়ে উঠতে পেরেছি। কিন্তু আমার স্ত্রী, ছয় বছরের সন্তান আর শাশুড়ি বাসের ভেতরেই রয়ে গেছে। তাদের কোনো খোঁজ পাচ্ছি না।” 

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পন্টুন পিচ্ছিল থাকা অথবা ফেরিতে ওঠার সময় বাসের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বর্তমানে ৩ নম্বর পন্টুন দিয়ে যানবাহন পারাপার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। 

আরটিভি/এআর