images

দেশজুড়ে

বেশি দামে তেল বিক্রি কারণ জানতে চাওয়ায় ছাত্রদলের ২ নেতাকে বেধরক পিটুনি

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬ , ০১:০২ পিএম

লক্ষ্মীপুরে একটি দোকানে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রির সংবাদ পেয়ে জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ইমন বেদম পিটুনির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ছাত্রদলের আরেক নেতা আল-আমীন হোসেন রুদ্র। তারা দুজনই বর্তমানে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত ছাত্রদলের দুই নেতা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তাদের ওপর হামলার বর্ণনা দিয়েছেন।

এর আগে দুপুরে সদর উপজেলার দালাল বাজারে মোরগ হাঁটা তোফায়েল আহমেদের তেলের দোকানের সামনে হামলার শিকার হন তারা।

ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ইমন দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, এবং আল-আমীন হোসেন রুদ্র উত্তর হামছাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমন ও রুদ্র জানান, বেলা ১১টার দিকে ইমন দালাল বাজারের তোফায়েলের তেলের দোকানে তেল কিনতে যান। সেখানে তিনি জানতে পারেন, প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১৩০–১৪০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। সরকারি নির্ধারিত দাম হচ্ছে ১১৬ টাকা। তেল দোকানদার তোফায়েলের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা কাটাকাটি হলে একপর্যায়ে তার ছেলে জিহাদ ও তার অনুসারীরা এসে ইমনকে বেদম মারধর করেন। খবর পেয়ে ইমনকে উদ্ধার করতে গেলে হামলাকারীরা রুদ্রকেও মারধর করেন। এছাড়া তাদের দুইটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়।

সদর উপজেলা (পশ্চিম) ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমান মিজান বলেন, অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করায় ছাত্রদলের ইমন প্রতিবাদ করেছিল। ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানদার তোফায়েলের ছেলে জিহাদ তার অনুসারীদের নিয়ে ইমনকে মারধর করে। খবর পেয়ে রুদ্র গেলে তারা তাকে ও মারধর করে। আমরা এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করছি।

আরও পড়ুন
Web-Image---Copy

তেল নিতে মোটরসাইকেলের ট্যাংক খুলে পেট্রোল পাম্পে হাজির চালক

অভিযোগের বিষয়ে দোকানদার তোফায়েলের ছেলে জিহাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ইমনকে মারধরের বিষয়টি সত্য নয়। আমরা নিয়ম অনুযায়ী তেল বিক্রি করছি। অনেক মানুষ সিরিয়ালে তেল নিচ্ছে। ইমন এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। উত্তেজিত জনতা তাকে কিছু করেছে কিনা আমাদের জানা নেই।

দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার সময় আমার আদালতে একটি বৈঠক চলছিল। তখন একটি ফোন আসে যে এক ছেলেকে একাধিক যুবক ধাওয়া করছে। ছেলেটি একটি ঘরে আশ্রয় নেয়। পরিষদ থেকে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি।

আরটিভি/এমএইচজে