রোববার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ , ০৯:১১ পিএম
বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে দিন দিন হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আর হাসপাতালে দেখা দিয়েছে হেডমাস্কের সংকট। এ সংকটে হামে আক্রান্ত শিশুদের অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পট কেটে তৈরি করা হেডমাস্ক দিয়ে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাসপাতালের দোতলায় শিশু ওয়ার্ডের হাম আইসোলেশন ইউনিটে এমন চিত্র দেখা গেছে।
প্লাস্টিকের পট দিয়ে তৈরি এ বিকল্প পদ্ধতিতে অক্সিজেন সরবরাহ করায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা।
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে এ সংকট দীর্ঘদিনের। শয্যা সংকটের কারণে এক বিছানায় তিন-চারজন শিশুকে রেখে চিকিৎসা দেওয়া এখানে নিয়মিত ঘটনা। এর মধ্যেই অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন মাস্কের সংকটের বিষয়টি সামনে এসেছে।
অভিভাবকদের দাবি, এ পদ্ধতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্লাস্টিকের পটের ধারাল অংশ বা চাপের কারণে শিশুর গলায় আঘাত লেগে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি থাকলেও সামান্য দামের মাস্ক না থাকাটা দুঃখজনক।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. মশিউল মুনীর জানান, স্থানীয় উপায়ে এভাবে অক্সিজেন দেওয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না।
আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় হেডমাস্কের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়ে তিনি স্বীকার করেন, এ পদ্ধতি নিরাপদ নয় এবং এতে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
আরটিভি/এমএইচজে