বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ , ০৯:০২ পিএম
ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় আড়াই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ বালিথুবা গ্রামের মো. আলমাছ সরদার ফরিদ (২৪)। তার সঙ্গে পরিবারের সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ২৪ মার্চ থেকে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর জানা যায় ওই দিন রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদ মারা যান।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে ফরিদের বাবা সাংবাদিক আবু তালেব সরদারের মোবাইল ফোনে সৌদি আরব থেকে মৃত্যুর খবরটি জানানো হয়।
হাউমাউ করে কেঁদে সাংবাদিক আবু তালেব সরদার বলেন, আমার ছেলে সৌদি আরবে একটি কপি হাউজে শ্রমিকের কাজ করত। সে দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার ছোট। অনেক আশা-ভরসা নিয়ে তাকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলাম। সে পরিবারের হাল ধরবে। কিন্তু গত ২০ দিন আগে ছেলের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ২০ দিন পর বিকেলে ছেলের মুঠোফোনে তার মৃত্যুর খবর পেয়েছি। আমার আদরের সন্তানের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।
প্রবাসের মাটিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদের মৃত্যুর খবর পাওয়া মাত্রই ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক সমাজ, মৃতের পরিবার ও স্থানীয় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এদিকে সাংবাদিক আবু তালেব সরদারের ছেলের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান ও সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম ফরহাদ। এক শোকবার্তায় তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদের মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, মৃতের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে পরিবারের চাহিদার প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরটিভি/এসএস