images

দেশজুড়ে

তিস্তার ভাঙন রোধে পলাশপুর রক্ষার দাবি

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ , ০৬:১৪ পিএম

তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতভিটা ও আবাদি জমি হারানো ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের পলাশপুর গ্রাম রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন এলাকাবাসী।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে তিস্তা নদীর তীরবর্তী পলাশপুর এলাকায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে ভাঙনকবলিত মানুষসহ পলাশপুর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশ নেন।

879

জেলা বিএনপির সিনিয়র আহ্বায়ক ও জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবুর সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য দেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইয়েদ আহমেদ বাবু, সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ শাহ আলম, নাজিমখান ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বাদশা বক্সী, সদস্যসচিব আতিকুর রহমান আতিক, অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামসহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মোকসেদ আলী ও মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

আরও পড়ুন
20

ফের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে দুঃসংবাদ

অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু বলেন, ২০১৬ সাল থেকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা শোনা গেলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। তিনি উল্লেখ করেন, সিকিম থেকে উৎপন্ন হয়ে তিস্তা নদী বাংলাদেশে প্রবেশের পর নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার ওপর দিয়ে প্রায় ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়ে শেষ পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। তিস্তার দুই তীরে বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় দুই লাখ মানুষ বসবাস করেন। যারা প্রতিবছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। এতে হাজার হাজার মানুষ বসতভিটা ও জীবিকা হারাচ্ছেন।

65

তিনি বলেন, তিস্তার দুই তীরের বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় দুই লাখ মানুষ বসবাস করে, যারা প্রতি বছর ভাঙনের শিকার হচ্ছেন। এতে হাজার হাজার মানুষ বসতভিটা ও জীবিকা হারাচ্ছেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পলাশপুর গ্রামকে রক্ষায় দ্রুত কার্যকর নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের বসতভিটা ও জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে বলেও দাবি করেন তারা।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী এলাকাবাসী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আরটিভি/এমএ