সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ , ০১:৪২ পিএম
নজিরবিহীন এক ঘটনা ঘটেছে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে। একযোগে অতিরিক্ত প্রশাসনিক দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন প্রক্টর, প্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যানসহ বিশ্ববিদ্যালয়টির ২০ শিক্ষক। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে পৃথক বার্তার মাধ্যমে এ দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার নায়লা ইয়াসমিন।
তিনি জানান, নানা ধরনের অসন্তোষ ও ক্ষোভের কারণে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা ২০ জন শিক্ষক আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী প্রক্টর মো. রাকিবুল আলম, সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান মো. সাবাব জুলফিকার, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা তনুজা ইয়াসমিন, প্রভোস্ট (ভারপ্রাপ্ত) মাজহারুল হক জুবায়েদ ও রোকসানা পারভীন।
এছাড়া সহকারী প্রক্টর মো. মসীহ ইবনে ইয়াছিন আদন, মো. সোহানুল ইসলাম ও আতিয়া ফাইরুজ এবং হাউস টিউটর সুরাইয়া খানম মীম, ওয়াহিদ কায়সার ও মো. আসাদুজ্জামান, গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবির, রোভার স্কাউট ইনচার্জ মো. হারুন অর রশিদ, ক্রীড়া ইনচার্জ মো. এবাদুর রহমান এবং ছাত্রী হলের হাউস টিউটর মো. সাইফুল ইসলামও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রাকিবুল আলম বলেন, আজ থেকে আমি সহকারী প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ও চেয়ারম্যানের দায়িত্বে নেই। কিছু কারণে এই দায়িত্বগুলো থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।
একই ধরনের বার্তা দিয়েছেন ছাত্র পরামর্শক ও নির্দেশক (ভারপ্রাপ্ত) তনুজা ইয়াসমিন এবং প্রভোস্ট (ভারপ্রাপ্ত) মাজহারুল হক জুবায়েদও।
এদিকে একযোগে এত সংখ্যক শিক্ষক দায়িত্ব ছাড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় ধরনের প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। পদত্যাগকারী শিক্ষকরা ব্যক্তিগত কারণ ও ‘কিছু অনিবার্য পরিস্থিতির’ কথা উল্লেখ করলেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি কর্তৃপক্ষ।
আরটিভি/এমএম