images

দেশজুড়ে

আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে আ.লীগ নেতাদের ‘মিলনমেলা’

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ , ০৩:৫৯ পিএম

হবিগঞ্জে জুলাই মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে অন্তত অর্ধশতাধিক স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে আদালত প্রাঙ্গণ যেন এক ধরনের ‘মিলনমেলায়’ পরিণত হয়। এদের অধিকাংশই কারাবরণ করে জামিনে মুক্ত। রুটিন হাজিরা দিতে তারআ আদালতে যান।

সোমবার (৪ মে) সকালে হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা শেষে তারা একসঙ্গে সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করেন।

মাধবপুরের নোয়াপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মো. ইকবাল হোসেন পাঠান তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে এসব ছবি শেয়ার করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

তিনি লিখেন, আজ হবিগঞ্জ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে জি.আর ৩৫১/২৪ (মাধবপুর-বৈষম্যবিরোধী, ‘মিথ্যা মামলা’) হাজিরা শেষে সবাই একসাথে। দীর্ঘদিন পর সহকর্মীদের একত্রে পেয়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

তবে উপস্থিত নেতাকর্মীদের কোনো আনুষ্ঠানিক দলীয় কার্যক্রমে অংশ নিতে দেখা যায়নি; তারা মূলত ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় ব্যস্ত ছিলেন।

ছবিতে দেখা যায়— মাধবপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহ সেলিম, আন্দিউড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মিজানুর রহমান, যুবলীগ নেতা শংকর পাল, চৌমুহনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শেখ তোফাজ্জ্বল হোসেন (ছুরক মিয়া), নোয়াপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন পাঠানসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মাধবপুর পৌর আওয়ামী লীগ নেতা শ্রীধাম দাশগুপ্ত বলেন, পুলিশ ও আদালতে কিছুটা স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা ফিরেছে। বিনা দোষে অনেক নেতাকর্মী কারাভোগ করেছেন, অনেকেই এখনও বন্দি। বর্তমানে অনেকেই জামিন পাচ্ছেন— এটা স্বস্তির খবর।

আরও পড়ুন
Web-Image---Copy

কুমিল্লায় স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে রাতভর দলবদ্ধ ধর্ষণ

অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী মামলার বাদী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত যুবদল নেতা আমিনুর রহমান আমিন বলেন, আমার কিছু বলার নেই। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মিলে গেছে— সব দোষ আমার ঘাড়ে চাপানো হয়েছে। এখন আমি নিরপরাধ কাউকে মামলায় রাখতে রাজি নই। দ্রুত চার্জশিট দিয়ে মামলার নিষ্পত্তি চাই।

স্থানীয় পরিবেশ কর্মী ও সাংবাদিক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এখন ঝড়ে আহত পাখির মত অবস্থা। এখন যদি তাদের আবার গ্রেপ্তারের পায়তারা হয় তাহলে বিএনপি-জামাত তাদের জনপ্রিয়তা হারাবে। যার প্রভাব পড়বে স্থানীয় নির্বাচনেও। আর তারা তো কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রমও করছে না।

আরটিভি/এমএইচজে