images

দেশজুড়ে

গুলিবিদ্ধ রাজুকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে আবার গুলি

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬ , ১০:৫৩ পিএম

খুলনায় গুলিবিদ্ধ আন্তজেলা ডাকাত সর্দার রাজু ওরফে গালকাটা রাজুকে ঢাকায় নেওয়ার পথে আবারও গুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে, হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডাকাতির লুণ্ঠিত অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে সোমবার (৪ মে) দুপুরে খুলনার লবণচরা থানার কুবা মসজিদ এলাকায় একদল সন্ত্রাসী রাজুকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। গুলির একটি তার পেটের বাম পাশ দিয়ে ঢুকে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়।

আরও পড়ুন
gmK

তেল পাম্প কর্মচারীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর রাজু প্রথমে পরিচিত এক নারীর বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে গোপনে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হলেও ‘পুলিশ কেস’ হওয়ায় কোথাও ভর্তি করা হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে, সেখানে পরিস্থিতি খারাপ বুঝে সঙ্গে থাকা নারী তাকে রেখে পালিয়ে যান।

পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুলিশকে জানালে রাজুকে আটক করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাত ১২টা ২২ মিনিটের দিকে পুলিশ পাহারায় তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় পাঠানো হয়।

পথিমধ্যে রাত সাড়ে ১২টার দিকে রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছলে আবারও হামলার শিকার হয় অ্যাম্বুলেন্সটি। সন্ত্রাসীরা লক্ষ্য করে ৪-৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। খবর পেয়ে কাটাখালী হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। পরে পুলিশি নিরাপত্তায় অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকার পথে এগিয়ে যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজুর বিরুদ্ধে খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায় হত্যা ও ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন এবং একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের নেতৃত্ব দিতেন।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন,  রাজুর বিরুদ্ধে থানায় চারটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আছে। পথিমধ্যে গুলির ঘটনাটি রহস্যজনক এবং এর পেছনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হামলাকারীদের কাউকে এখনও আটক করা যায়নি।

এদিকে, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রাজুর অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।

আরটিভি/এমএম