images

দেশজুড়ে

গাজীপুরে ফাইভ মার্ডার ঘটনায় অঝোরে কেঁদে দিলেন ম্যাজিস্ট্রেট

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬ , ০৮:২৫ পিএম

গাজীপুরের কাপাশিয়া উপজেলার এলাকায় বহুল আলোচিত ‘ফাইভ মার্ডার’ ঘটনায় দুজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালমা খাতুন। তিনি শনিবার (৯ মে) ঘটনাস্থল রাউতকোনা গ্রামে পরিদর্শন শেষে এ তথ্য জানান। 

তবে তদন্তের স্বার্থে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাতে রাজি হননি। সালমা খাতুন বলেন, দুজনকে সন্দেহ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তবে এখনই বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে। জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, বাচ্চাগুলোকে দেখে খুব কষ্ট লেগেছে। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা আগে দেখিনি।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাতে রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। শনিবার সকালে প্রতিবেশীরা পাঁচজনের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

নিহতরা হলেন, প্রাইভেটকার চালক ফুরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন, তাদের তিন মেয়ে মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর ফুরকান মিয়া এক স্বজনকে ফোন করে হত্যার কথা জানান এবং নিজেই পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে দেশীয় মদের খালি বোতল, খাবারের অংশ এবং বেশ কিছু প্রিন্ট করা কাগজ জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহকে সম্ভাব্য কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, ফুরকান তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও পরকীয়ার অভিযোগ করেছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা আলামত ও নথিপত্র বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। পুলিশ, পিবিআই এবং প্রশাসনের একাধিক দল যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। 

আরটিভি/এসকে