images

দেশজুড়ে

হত্যার একমাস পর মানিকগঞ্জে ফের গুলিবর্ষণ

রোববার, ১০ মে ২০২৬ , ০৯:২৯ পিএম

মানিকগঞ্জের শিবালয়ের দুর্গম আলোকদিয়া এলাকায় যমুনা নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু ও পলি কাটাকে কেন্দ্র করে ফের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (১০ মে) ভোরে আলোকদিয়া খেয়াঘাটের ৭ নম্বর টাওয়ার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

থানা সূত্রে জানা যায়, আলোকদিয়া গ্রামের পাশের যমুনা নদীতে ইজারা নেওয়া এলাকায় ইজারাদার কাওছার আলমের লোকজন পলি কাটার কাজ করছিলেন। এ নিয়ে গত ৩ এপ্রিল প্রতিপক্ষের হামলায় ম্যানেজার মিরাজ হোসেন (৪০) নিহত হন। ওই ঘটনায় ইজারাদার ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ এক মাস পর পটুয়াখালীর বাউফল থানা এলাকা থেকে রাসেল (২৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। রাসেল আলোকদিয়া শোকুলিয়া গ্রামের নাজেরের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রোববার ভোর ৬টার দিকে ইঞ্জিনচালিত তিনটি নৌকায় করে ১০ থেকে ১২ জন সশস্ত্র ব্যক্তি খেয়াঘাটের ৭ নম্বর টাওয়ার এলাকায় আসে। তারা সেখানে অবস্থানরত বর্তমান ইজারাদার মেসার্স ইকরাম কনস্ট্রাকশনের লোকজনকে ডেকে তোলে। এ সময় আগতরা হুমকি দিয়ে বলে, “তোরা সকাল ৭টার মধ্যে সবকিছু নিয়ে এখান থেকে চলে যাবি। ফরিদপুর থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত যমুনায় শুধু ‘ছাত্তার কমিশনারে’র নামে ড্রেজিং চলবে।” পরে তারা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে উত্তর দিকে চলে যায়।

খবর পেয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা পর সকাল ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে।

মেসার্স ইকরাম কনস্ট্রাকশনের ইজারাদার মুঠোফোনে জানান, তার প্রতিষ্ঠানের নামে ১ কোটি ২০ লাখ টাকায় তেওতা বালুমহাল ইজারা নেওয়া হলেও তিনি সরাসরি কার্যক্রম পরিচালনা করেন না। বর্তমানে অন্যরা এর দায়িত্বে রয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

শিবালয় থানার এসআই আলমগীর হোসেন বলেন, খবর পেয়ে শিবালয় থানা পুলিশের ১০ সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য সংগ্রহ করেছে। এর আগে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রাসেল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে রোববারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/টিআর