images

দেশজুড়ে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দাখিল পরীক্ষা শেষে তুমুল মারামারি, আহত ৪

সোমবার, ১১ মে ২০২৬ , ১১:১৭ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে দুই মাদরাসার পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) দুপুরের দিকে পরীক্ষা শেষে আখাউড়া নাছরীন নবী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দাখিল পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টন্‌কী সাদেকুল উলুম ফাজিল মাদরাসার পরীক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল। পরীক্ষা শুরুর আগে কেন্দ্রের দোতলা ভবনে ওঠার সময় এক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আখাউড়া টেকনিক্যাল ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার এক পরীক্ষার্থীর ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা শেষে দেখে নেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ করা হয়।

পরীক্ষা শেষে কেন্দ্রের গেইট দিয়ে বের হওয়ার সময় অভিযুক্ত মোয়াজ হোসেনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন পরীক্ষার্থী অতর্কিত হামলা চালায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলায় উবায়দুল মিয়া, ত্বোয়াহা ইত্তেসাম রনি, বায়েজিদ মিয়া ও শাকিল মিয়া আহত হন।

অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা কিল-ঘুষি ও লাথির পাশাপাশি কলম দিয়ে আঘাত করে। এতে ত্বোয়াহা ইত্তেসাম রনির ডান চোখের ওপর গুরুতর জখম হয় এবং সেখানে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে। তিনি বর্তমানে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ঘটনার পর টন্‌কী সাদেকুল উলুম ফাজিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মো. আমীর হুসাইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে তিনি আখাউড়া থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।

এ বিষয়ে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার সজীব জানান, আহত শিক্ষার্থীর চোখের ভ্রুর কাছে আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে সেখানে সেলাইসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে ভর্তি রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন
212

‘আমরা দালাল নই, আমরাও মানুষ’

এ বিষয়ে আখাউড়া থানার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জাবেদ উল ইসলাম জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া বলেন, ঘটনার বিষয়টি আমাকে মোবাইলফোনে জানানো হয়েছিল। পরে আমি তাদের থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিই।

আরটিভি/এসএস