শনিবার, ১৬ মে ২০২৬ , ০৮:৪২ এএম
শরীয়তপুরে স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে রাখার চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন এক নারী। ঘটনাটি ঘিরে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদার ও তার স্ত্রী আসমা আক্তার। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।
গত মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসমা তার স্বামীর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান জিয়া সরদার।
পরে হত্যাকাণ্ড গোপন করতে মরদেহ কয়েক টুকরো করে আলাদা করেন আসমা। শরীরের হাড় একটি ড্রামে রেখে দেন এবং পরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এরপর মাংসের অংশ ফ্রিজে রাখতে গেলে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এতে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে জরুরি সেবায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন আসমা আক্তার। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থান থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতের পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরটিভি/জেএমএ