বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ , ০৫:৩৫ পিএম
জীবন বীমা করপোরেশনের রাজশাহীর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উন্নয়ন ম্যানেজার মোকছেদুল হকের বিরুদ্ধে গ্রাহকের প্রায় ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে গেছেন। ভুয়া ভাউচার দিয়ে দিনের পর দিন গ্রাহকের টাকা নিলেও তা বীমা অ্যাকাউন্টে তিনি জমা দেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
টাকা আত্মসাতের এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং টাকা ফেরতের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২১ মে) নগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড় এলাকায় জীবন বীমা করপোরেশন অফিসের সামনে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
ভুক্তভোগীরা জানান, গত তিন বছর ধরে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোকছেদুল হকের কাছে তনুশ্রী প্রামাণিক ৩ লাখ ২১ হাজার, আনন্দ কুমার প্রামাণিক ৪ লাখ ৮৬ হাজার, প্রতিমা নন্দী ৪ লাখ ৮৬ হাজার, অসীম কুমার দাস ৪ লাখ ২৩ হাজার, মেহেদী হাসান ১ লাখ ৯৮ হাজার, আশরাফুল ইসলাম ৪ লাখ ৯৫ হাজার এবং মনিরুজ্জামান ৫ লাখ ১৭ হাজার টাকাসহ মোট ২৯ লাখ ২৬ হাজার টাকা জমা দেন। টাকা জমা নেয়ার বিপরীতে মোকছেদুল তাদের ভাউচার দিতেন।
সম্প্রতি জীবন বীমা করপোরেশন থেকে জানানো হয়, তাদের বীমা অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা জমা দেওয়া হয়নি। এ খবর শুনে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা হয় গ্রাহকদের।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করলেও তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা করেনি। বরং টাকা ফেরতের বিষয়ে তারা টালবাহানা করছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী জীবন বীমা করপোরেশনের ম্যানেজার (প্রশাসন) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতারণার বিষয়টি জানার পরই অভিযুক্তকে বরখাস্ত করা হয়েছে। আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।’