বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ , ০৫:৪৩ পিএম
রাজবাড়ীর কালুখালীতে যাত্রীবাহী বাসের নিচে চাপা পড়ে মো. আমিন বকাউল (৪৫) নামে এক গরুর বেপারির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও দুই বেপারি ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার (২০ মে) রাত ১০টার দিকে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের কালুখালী উপজেলার মোহনপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. আমিন বকাউল কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকার মজিদ বকাউলের ছেলে। এ ছাড়া আহত ব্যক্তিরা হলেন, একই এলাকার মো. ছকেল শেখের ছেলে মো. রিয়াজ শেখ (৪৮) ও মো. আদম কাজীর ছেলে মো. কলম কাজী (৩৮)। তারা সবাই পেশায় গরুর বেপারি বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, নিহত ও আহত ব্যক্তিরা একই মোটরসাইকেলে করে কালুখালী থেকে পাংশার দিকে যাচ্ছিলেন। রাত ১০টার দিকে তারা মোহনপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে আসা মামুন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে তিন আরোহীই মহাসড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের দ্রুত রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. আমিন বকাউলকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি দুইজনের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় রাতেই তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাজিব দে সরকার বলেন, তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পথেই আমিন বাকাউলের মৃত্যু হয়। বাকি দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরিবারের লোকজন উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।
পাংশা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আল মামুন বলেন, দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাস ও ক্ষতিগ্রস্ত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে ঘটনার পরপরই বাসের চালক ও সহকারী পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
আরটিভি/এমএস/এআর