শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬ , ১১:০৮ এএম
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ১৭ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে পৌলি পর্যন্ত এই যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের খুব কষ্ট হচ্ছে।
পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, শুক্রবার বিকেল থেকেই যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানবাহনের প্রচুর চাপ রয়েছে। ফলে সেতুর পশ্চিমপাড় থেকে ঝাঐল ওভারব্রিজ পার হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে মাঝে মধ্যে ধীরগতিতে চলাচল করছে যানবাহনগুলো। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে যমুনা সেতুর ওপরে ৭ নম্বর পিলারের কাছে ঢাকামুখী লেনে বাসের পেছনে আরেকটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে একজন নিহত হন। এ সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পরে সেতু কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনাকবলিত বাস রেকার দিয়ে সরিয়ে নিলেও যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় আরও যানজট ও ধীরগতির সৃষ্টি হয়। এ যানজট ছড়িয়ে পড়ে যমুনা সেতুর পূর্বপাড় টাঙ্গাইলে। এতে করে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইলের পৌলি পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়।
গাজীপুর থেকে নাটোরগামী এক বাসের চালক রুপচান শেখ বলেন, টাঙ্গাইল থেকে যানজট। মহাসড়কের এলেঙ্গাতে এসে আটকে আছি। গরমে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শরিফ বলেন, শনিবার প্রায় সব গার্মেন্টসই খোলা হবে। এর ফলে গতকাল থেকে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে।
এ ব্যাপারে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, যমুনা সেতুর ওপর প্রায় ১৫ থেকে ১৬টি গাড়ি বিকল ও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া সেতুর ওপর গাড়ি আটকা থাকায় লোকজন নেমে যাচ্ছে। যার ফলে সেতুর দুই পাশেই যানজট রয়েছে। তবে আশা করা যাচ্ছে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে।
আরটিভি/আইএম