বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ , ০৭:১৬ পিএম
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ সামনে রেখে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের প্রতি সমর্থন জানাতে ঝালকাঠি শহরে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
'আর্জেন্টাইন ফ্যানস অব ঝালকাঠি'-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই শোভাযাত্রায় জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা উৎসাহী সমর্থক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
বুধবার (১০ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঝালকাঠি পৌর স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে সমর্থকরা একত্রিত হন। এরপর প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে থানার মোড়, কুমারপট্টি মোড়, আড়দ্দাপট্টি মোড়, ডাক্তারপট্টি মোড়, সাধনার মোড়, ফায়ার মোড় ও রোনালসে রোড প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মিনি স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বহন করেন।
এ সময় লাল-সবুজ ও নীল-আকাশি রঙের রঙিন ধোঁয়ায় পুরো শহর উৎসবের আমেজে ভরে ওঠে। বাঁশি ও বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বিশাল আকৃতির পতাকা, বাইক শোভাযাত্রা, সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি ও রিকশার পাশাপাশি নারী, শিশু ও তরুণদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ আয়োজনটিকে বিশেষ মাত্রা দেয়।
এছাড়া বিশেষভাবে সজ্জিত ঘোড়ার গাড়িটি শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠে।
আর্জেন্টাইন ফ্যানস অব ঝালকাঠির সাব্বির হোসেন রানা বলেন, গত বিশ্বকাপেও আমরা এমন শোভাযাত্রার আয়োজন করেছিলাম। তখন ৩৬ বছরের বিশ্বকাপ না পাওয়ার আক্ষেপ ছিল। এবার আমরা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নতুন আশা ও প্রত্যাশা নিয়ে সমর্থন জানাচ্ছি। ভবিষ্যতেও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের নিয়ে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
আর্জেন্টিনা ফ্যান র্যালি-২০২৬ আয়োজক কমিটির মো. মামুনুর রশিদ রনি বলেন, মাত্র কয়েকদিনের প্রস্তুতিতে একটি সুন্দর, সুপরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে ঝালকাঠির আর্জেন্টিনা সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার কারণে।
শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া সমর্থক হৃদয় ইসলাম বলেন, আর্জেন্টিনার প্রতি আমাদের ভালোবাসা প্রকাশের এটি ছিল একটি মাধ্যম। এত সমর্থককে একসঙ্গে দেখে সত্যিই অনুপ্রাণিত হয়েছি। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে সমর্থকদের মধ্যে বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।
সমর্থক আহসান আবির বলেন, খেলাধুলা মানুষকে একত্রিত করে— এই পদযাত্রা তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আশা করি আগামীতে আরও বড় পরিসরে এমন আয়োজন হবে।
এই আয়োজনের মাধ্যমে ইতিবাচক ফুটবল সংস্কৃতি, সমর্থকদের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং খেলাধুলাভিত্তিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করেন স্থানীয়রা।
আরটিভি/এমএইচজে