বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ , ১১:৩০ এএম
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় জন্ম নিয়েছে এক নবজাতক, যাকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। দুই হাত ও দুই পা মিলিয়ে শিশুটির রয়েছে ৩০টি আঙুল। শুধু তাই নয়, জন্মগতভাবে তার জিহ্বাও নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বিরল এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন পরিবার, কৌতূহলী এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে মঠবাড়িয়ার ড্রিম অ্যান্ড হেলথ কেয়ার হাসপাতালে জন্মের পরপরই শিশুটিকে দেখতে ভিড় করেন স্বজন ও কৌতূহলী মানুষ।
শিশুটির বাবা ইসমাইল পালোহন উপজেলার বড় মাছুয়া ইউনিয়নের ভোলমারা গ্রামের বাসিন্দা ও পেশায় একজন দিনমজুর।
পরিবারের অন্য সন্তানরা স্বাভাবিক হলেও নবজাতকটির শারীরিক গঠন দেখে হতবাক স্বজনরা। কিন্তু মা জেসমিন আক্তার বাকি চার সন্তানের মতো সদ্যজাত শিশুটিকেও আপন করে নিয়ে বাঁচতে চান।
তিনি বলেন, সিজার করতে এসেছি টাকা ধার করে। বাচ্চাটার চিকিৎসা কীভাবে চালাব, সেটা এখন ভাবনার বিষয়। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে আমার উপকার হবে।
এ ব্যাপারে নবজাতক ও শিশু চিকিৎসক ডা. মো. মনিরুজ্জামান বলেন, অতিরিক্ত আঙুল নিয়ে জন্ম নেওয়ার এই অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘পলিড্যাকটিলিজম’ বলা হয়। তবে শিশুটির জিহ্বা না থাকা একটি বিরল জন্মগত ত্রুটি, যা নিয়ে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন।
চিকিৎসকদের মতে, উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুটির ভবিষ্যৎ চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হবে।
এদিকে সন্তানের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি যারা সহযোগিতা করতে চান, তাদেরকে 01796019787 নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ করেছেন শিশুটির মা জেসমিন আক্তার।
উল্লেখ্য, সাধারণত মানুষের হাত-পা মিলিয়ে ২০টি আঙুল থাকলেও মঠবাড়িয়ায় সদ্য জন্ম নেওয়া এই শিশুটির হাতে ১৬টি ও পায়ে ১৪টি আঙুল রয়েছে।
আরটিভি/আইএম