images

দেশজুড়ে

ব্যাংকের বুথ থেকে ১৭ লাখ টাকা চুরি, রংপুরে গ্রেপ্তার নিরাপত্তাকর্মী

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬ , ০৫:৫৪ পিএম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ইসলামী ব্যাংকের এটিএম ও কালেকশন বুথ থেকে ১৭ লাখ টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মী আইয়ুব আলীকে (৫৬) রংপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে চুরি হওয়া টাকার মধ্যে ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৮২৮ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) ক্যাম্পাসে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংকের কালেকশন বুথে চুরির ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রংপুরে অভিযান চালানো হয়। সেখানে আত্মগোপনে থাকা আইয়ুব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

গত ২৪ জুন দুপুরে ব্যাংকের কর্মকর্তারা খাবারের বিরতিতে যাওয়ার সময় বুথটি তালাবদ্ধ করে যান। পরে ফিরে এসে ক্যাশ গণনার সময় এক হাজার টাকার ১৭টি বান্ডেল, অর্থাৎ মোট ১৭ লাখ টাকা খোয়া যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।

আরও পড়ুন
CMC

কালো পলিথিনের প্যাকেটে ছিল নবজাতক, ইউএনওর উদ্যোগে চলছে চিকিৎসা

পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায়, আইয়ুব আলী নকল চাবি ব্যবহার করে বুথে প্রবেশ করেন। এরপর ক্যাশ ড্রয়ার থেকে টাকাগুলো একটি ব্যাগে ভরে দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান। গ্রেপ্তারের সময় আইয়ুব আলী রংপুরে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন।

তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ কক্সবাজারে আইয়ুব আলীর বাড়িতেও যায়। এ সময় তার স্ত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা তাকে নিবৃত্ত করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পেরেছে, তার প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। পরিবারের দাবি, গত সাত থেকে আট বছর ধরে তিনি তাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ রাখতেন না। বর্তমানে তার স্ত্রী অন্যের বাসায় কাজ করে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ বহন করছেন বলেও পুলিশ জানতে পেরেছে।

ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, চুরি হওয়া ১৭ লাখ টাকার মধ্যে ১৪ লাখ ৮৪ হাজার ৮২৮ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আইয়ুব আলী জানিয়েছেন, টাকার কিছু অংশ তিনি বিভিন্ন কেনাকাটায় ব্যয় করেছেন। কিছু অর্থ ওই নারীকে দিয়েছেন এবং অবশিষ্ট অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত ছিলেন কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আরটিভি/এমএম