images

দেশজুড়ে

চুনারুঘাট সীমান্তে পুশইন প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে বিজিবি

সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ , ১১:১১ পিএম

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশইনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে চুনারুঘাট সীমান্তসহ হবিগঞ্জ জেলার সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।

জেলার ১০৩ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, গ্রামপুলিশ, স্থানীয় কৃষক, চা-শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সমন্বয়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন গড়ে উঠেছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সম্প্রতি সীমান্ত দিয়ে পুশইনের প্রচেষ্টা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন ১৬টি বিওপি থেকে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন টহল ও নজরদারি পরিচালিত হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত উঠান বৈঠক, মাইকিং এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় চা-শ্রমিক, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ এবং আনসার-ভিডিপি সদস্যরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন। এ সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে কোনো পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির তথ্যমতে, গত ২৭ ও ২৮ জুন রাতে এবং ভোরে মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার তেলিয়াপাড়া ও গুইবিল সীমান্ত এলাকায় রাতের অন্ধকারে বিএসএফের সিকিউরিটি লাইট বন্ধ করে একাধিক পুশইনের চেষ্টা করা হয়। তবে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শূন্যরেখায় (জিরো লাইন) এসব প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তাৎক্ষণিক তথ্যও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

জেলার ১০৩ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, গ্রামপুলিশ, স্থানীয় কৃষক, চা-শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের সমন্বয়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন গড়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন
1

কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়িতে পানি, বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা

বিজিবি সূত্র জানায়, সম্প্রতি সীমান্ত দিয়ে পুশইনের প্রচেষ্টা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন ১৬টি বিওপি থেকে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন টহল ও নজরদারি পরিচালিত হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত উঠান বৈঠক, মাইকিং এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় চা-শ্রমিক, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ এবং আনসার-ভিডিপি সদস্যরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবিকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন। এ সমন্বিত উদ্যোগের ফলে এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে কোনো পুশইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির তথ্যমতে, গত ২৭ ও ২৮ জুন রাতে এবং ভোরে মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার তেলিয়াপাড়া ও গুইবিল সীমান্ত এলাকায় রাতের অন্ধকারে বিএসএফের সিকিউরিটি লাইট বন্ধ করে একাধিক পুশইনের চেষ্টা করা হয়। তবে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শূন্যরেখায় (জিরো লাইন) এসব প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তাৎক্ষণিক তথ্যও এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

আরটিভি/ এসকেডি