images

দেশজুড়ে

বর্ষায় জমে উঠেছে চাঁইয়ের হাট 

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬ , ১১:৩৯ এএম

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার হাটবাজারে চাঁইয়ের বেচাকেনা জমে উঠেছে। বর্ষা মৌসুমে খাল, বিল ও ধানখেতে পানি বেড়েছে। এ সময় চিংড়ি ও দেশিও ছোট মাছ ধরার জন্য চাঁইয়ের চাহিদা বেড়ে গেছে।

উপজেলা দক্ষিণবন্দর সড়কের পাশে জ্যৈষ্ঠ থেকে শ্রাবণ মাস পর্যন্ত সপ্তাহের বুধবার একদিন চাঁইয়ের হাট বসে। প্রতি হাটে এক থেকে দুই হাজার চাঁই বিক্রি হয়।

বুধবার (১ জুলাই ) সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে চাঁই সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রেতারা। হাটে চাঁই কিনতে এসেছেন আশপাশের কৃষক ও জেলেরা। সকাল থেকে বেলা একটার মধ্যে বেচাকেনা শেষ হয়।

এ সময় কথা হয় উপজেলার দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের কৃষক সত্তার হালদারের (৫৫) সঙ্গে। তিনি চাঁই কেনার জন্য হাঁটে এসেছেন। তিনি বলেন, জমিতে পানি উঠছে। এ সময় বিলে প্রচুর চিংড়ি ও মাছের আনাগোনা বাড়ে। তাই মাছ ধরার জন্য চাঁই কিনতে এসেছি।


স্থানীয় চাঁই ব্যবসায়ীরা জানান, জেলার বিভিন্ন হাটে বর্ষা মৌসুম শুরু হলে চাঁই বিক্রি হয়। সাধারণত জ্যৈষ্ঠ মাস থেকে শ্রাবণ মাসের মাঝামাঝি সময়ে চাঁইয়ের হাটে বেচাকেনা বেশি হয়। এ সময় হাটগুলোয় প্রচুর চাঁই ওঠে।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম থেকে ব্যবসায়ীরা চাঁই কিনে হাটে বিক্রি করেন। অনেকে নিজের তৈরি চাঁই হাটে নিয়ে বিক্রি করেন। বাঁশ, নাইলন বা প্লাস্টিকের সুতা দিয়ে চাঁই তৈরি করা হয়। প্রতি জোড়া চাঁইয়ের দাম ৩২০-৩৫০ টাকা।

চাঁই ব্যবসায়ী রহমান হোসেন (৪৫) বলেন, বর্ষা মৌসুমে জ্যৈষ্ঠ থেকে শ্রাবণ তিন মাস চাঁইয়ের হাট জমজমাট থাকে। আষাঢ়ের শুরুতে চাঁই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। এ সময়ে প্রতি হাটে দুই থেকে তিন হাজার চাঁই বিক্রি হয়। এ অঞ্চলের হাটগুলোয় চাঁইয়ের ক্রেতারা মূলত কৃষক, জেলে ও গৃহস্থ পরিবার।

আরও পড়ুন
7y

হঠাৎ আগুন লেগে পুড়ে গেল পাঁচ দোকান

এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানান, এই অঞ্চলে দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ পাওয়া যায়। তাই স্থানীয় কৃষকরা এই চাই এর ক্রেতা। বর্ষা মৌসুমে এর চাহিদা বেড়ে যায়।

আরটিভি/এসএস