রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬ , ০৬:২৮ পিএম
ফেনীর দাগনভূঞায় মা-মেয়েকে ধর্ষনের ঘটনায় দুজনের যাবজ্জীবন ও একজনের ১০ বছরের জেল দিয়েছেন আদালত। রোববার (৫ জুলাই) বিকালে ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এন এম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের মনু কাজী বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে সাইফুল ইসলাম, একই বাড়ির মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে আজাদ ও একই এলাকার জেলে বাড়ির প্রভাত কুমার দাসের ছেলে নিপু কুমার দাস। রায় ঘোষণাকালে আসামি আজাদ ও নিপু দাস আদালতে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান আসামি সাইফুল পলাতক।
সূত্রে জানা গেছে, দাগনভূঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ বারাহীগুনী গ্রামের নদী পাড়ে জেলে বাড়ি অবস্থিত। ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট রাতে ওই বাড়িতে ঢুকে কয়েকজন সহযোগী নিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে সাইফুল ইসলাম। ধর্ষনের ঘটনায় বাঁধা দেয়ায় ধর্ষিতার মাকে বাড়ি থেকে বের করে ব্রীজের উপর এনে ধর্ষণ করে আজাদ ও নিপু নামের ২ জন। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রচারের পর ১১ আগস্ট দাগনভূঞা থানায় ৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে প্রবাসীর স্ত্রী৷ পরে দাগনভূঞা থানার এসআই আবদুর রহীম ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারী মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
ফেনী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি এডভোকেট সাহাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, এ মামলায় আদালতে ৭ জনের স্বাক্ষী গ্রহণ করা হয়। চলতি বছরের ২৪ মার্চ উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রোববার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। ঘটনাটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমানীত হওয়ায় আদালত আসামি সাইফুল ও নিপুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও ১ লাখ টাকা করে জরিমানা, আজাদকে ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আরটিভি/এমএম