মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ , ১১:৪৯ এএম
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পতেঙ্গায় ঘণ্টায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এর সঙ্গে পাহাড়ি ঢল ও নদীর জোয়ারের পানি মিলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে নগরীর অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কোথাও হাঁটুপানি, কোথাও আবার এর চেয়েও বেশি পানি জমে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। বিভিন্ন সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
নগরীর পতেঙ্গা, আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সাগরে ৩ নম্বর সংকেত এবং জলাবদ্ধতা ও ভূমিধসের সতর্কতা জারি রয়েছে।
দুপুর ১২টার দিকে কর্ণফুলী নদীতে জোয়ার শুরু হলে পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অতি ভারী বর্ষণের কারণে নগরীর নিচু এলাকার সড়কগুলোতে হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে গেছে। অনেক স্কুলে পাঠদান ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। তবে চাকরিজীবী, বিমানবন্দরগামী যাত্রী, পথচারী, জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া মানুষ ও খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। গণপরিবহন চলাচল কমে গেছে, সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যাও কম দেখা গেছে।
মঙ্গলবার সকালে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি দেখতে বের হন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে।
আরটিভি/টিআর