বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬ , ০৩:৪৭ পিএম
ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়ে গেছে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়ক।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে সীমান্তের জাদুকাটা নদী ও রক্তি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে এবং পাহাড়ি ঢলের পানিতে সড়কের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার শক্তিয়ারখলা এলাকায় ‘১০০ মিটার’ নামকটি জায়গাটি প্লাবিত হয়েছে। এতে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন না হলেও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন যানবাহন ও স্থানীয় লোকজন।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে সীমান্তের জাদুকাটা ও রক্তি নদীর পানি বুধবার (৮ জুলাই) থেকেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তাহিরপুর উপজেলার লাউড়েরগড় এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত) ১২৬ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। রক্তি নদীর পানি শক্তিয়ারখলা পয়েন্টে ১১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ০ দশমিক ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এরপর আজ সকালে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের শক্তিয়ারখলা এলাকার ১০০ মিটার নামক স্থানটি প্লাবিত হয়ে যায়।
তাহিরপুর আলিম মাদরাসার প্রভাষক বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মেরুয়াখলা গ্রামের বাসিন্দা আশিকুর রহমান বলেন, সকালে মাদরাসায় যাওয়ার পথে শক্তিয়ারখলা এলাকায় পৌঁছে দেখি পাকা সড়কের বেশ কিছু অংশ পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়কে প্রায় দেড় ফুটের উপরে পানি, সবাই ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী-২ মো. এমদাদুল হক বলেন, ভারি বৃষ্টি হওয়ার জাদুকাটা ও রক্তি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি ঢলের পানি আসায় সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের একটি অংশ প্লাবিত হয়েছে। এই পানি বেশি সময় থাকবে না।
বিশ্বম্ভরপুরের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহফুজুর রহমান সড়ক প্লাবিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, যে অংশটুকু প্লাবিত হয়েছে এই অংশটুকু বর্ষা মৌসুমে প্রতি বছরই কয়েক বার প্লাবিত হয়। পাহাড়ি ঢল কমলে সড়কের এই অংশটুকু আবার জেগে উঠবে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়েছি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে যাব।
আরটিভি/এমএইচজে