images

দেশজুড়ে

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড়িতে গৃহবধূ ও বিয়ের স্টেজে যুবকের মৃত্যু

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ , ০৫:২৪ এএম

ফেনীতে পৃথক ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক গৃহবধূ ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) জেলার সোনাগাজী ও পরশুরামে দুপুর ও সন্ধ্যায় এসব ঘটনা ঘটে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরশুরামের মির্জানগর ইউনিয়নের মহেশপুষ্করণী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের স্টেজে লাইটিংয়ের বৈদ্যুতিক সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাইমন মজুমদার (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত সাইমন মির্জানগর ইউনিয়নের পূর্ব সাহেবনগর এলাকার শাহ আলমের ছেলে। তিনি পরশুরাম বাজারের কলেজ রোডে ‘সায়মন্ড ইভেন্ট’ নামে একটি ইভেন্ট ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ব্যক্তিগত জীবনে সাইমন বিবাহিত ছিলেন এবং তার এক বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে।

আরও পড়ুন
23

মুরগির খামারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিয়ের অনুষ্ঠানের স্টেজে লাইটিংয়ের সংযোগ দেওয়ার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে গুরুতর আহত হন সাইমন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে সাইমনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে স্বজন, বন্ধু ও স্থানীয়রা ভিড় করেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হলে স্বজনরা আপত্তি জানান। একপর্যায়ে পুলিশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের ব্যবস্থা করে।

এ ব্যাপারে পরশুরাম মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাফুল ইসলাম বলেন, পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে স্বজন ও স্থানীয়রা এতে আপত্তি জানান। এ সময় বিপুলসংখ্যক মানুষ হাসপাতালে জড়ো হয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যেতে বাধা দেন। একপর্যায়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিন সোনাগাজীতে নিহত গৃহবধূর নাম রুমা আক্তার (৩৫)। তিনি উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের মহাদিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী।

নিহতের পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নিজ বাড়িতে ঘরের কাজ করতে গিয়ে রুমা আক্তার অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনেরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মোমিনুল হক বলেন, হাসপাতালে আনার পর পরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। পরে আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

নিহতের স্বজন কোহিনূর বলেন, আকস্মিক দুর্ঘটনায় সব এলোমেলো হয়ে গেছে। এমন মৃত্যু কখনো কাম্য নয়।

আরটিভি/টিআর