শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬ , ০৮:৩৯ পিএম
মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে নাটোরের বড়াইগ্রামের মেয়ে সাদিয়া খাতুনের সাথে চীনা নাগরিক সুবেশের পরিচয় হয়। এরপর শুরু হয় বন্ধুত্ব। বন্ধুত্বের টানে ওই তরুণীর বাড়িতে বেড়াতে এসেছেন চীনা যুবক। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে চীনা নাগরিককে দেখতে ভিড় দেখতে ওই বাড়িতে ভিড় করেন নারী-পুরুষ।
বৃহস্পতিবার(২৩ জুলাই) রাতে ওই চীনা যুবক উপজেলার ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকায় সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে উঠেন।
তরুণী সাদিয়া খাতুন নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার ভবানীপুর ভাটোপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে একটি অ্যাপসের মাধ্যমে স্কুল শিক্ষার্থী সাদিয়া খাতুনের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই চীনা যুবকের। এরপর তৈরি হয় বন্ধুত্ব। এক সময় বাংলাদেশে তার বাড়িতে বেড়াতে আসতে ইচ্ছা পোষণ করেন ওই চীনা যুবক। এরপর পাসপোর্ট ও ভিসা তৈরি করে ছবি পাঠায় সাদিয়ার কাছে। প্রথমে সাদিয়া বিশ্বাস করেননি বাংলাদেশে আসবেন তিনি। এরপর সাদিয়ার তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানালে সম্মতি দেন তারা। বৃহস্পতিবার বিমানে উঠে তরুণীকে জানালে পরিবার সদস্যরা ওই চীনা যুবককে ঢাকা বিমান বন্দর থেকে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
সাদিয়া খাতুন জানান, একটি অ্যাপসের মাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়। তারপর আমাদের মধ্যে গড়ে উঠে বন্ধুত্ব। সে বলে, আমার সঙ্গে দেখা করতে বাংলাদেশে আসতে চায়। আমি বিশ্বাস করিনি, সে আসবে। ঢাকা বিমান বন্দরে এলে আমার পরিবারের লোক গিয়ে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন।
মেয়ের বাবা সাদ্দাম হোসেন জানান, আমার মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়। সে আমাদের এলাকায় বেড়াতে আসতে চাইলে, আমরা তাকে আসতে বলি। সে বন্ধু হিসেবে এসেছে, কযেকদিন বেড়ানোর পর আবার চলে যাবে।
জোয়াড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর জানান, আমাদের এলাকায় চীন থেকে একজন নাগরিক বেড়াতে এসেছেন। ভাটোপাড়া এক মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব সম্পর্ক রয়েছে। সে বাড়িতে এখন অবস্থান করছে। কিছুদিন বেড়ানোর পর তিনি তার দেশে ফিরে যাবেন।
আরটিভি/ এসকেডি