বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ , ০৫:৩৪ পিএম
কক্সবাজারে ইনানী সৈকতের কাছে একটি মাঠ থেকে পাঁচতারকা এক হোটেল কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে উখিয়া উপজেলার ইনানী সৈকতের পূর্ব পাশের পাঁচতারকা হোটেল বে-ওয়াচের স্টাফ কোয়ার্টারের পাশের খালি জায়গা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে আজ দুপুরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত আবদুল আজিজ (২৭) উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা রশিদ আহমদের ছেলে। তিনি হোটেল বে-ওয়াচের গরুর খামার পরিচর্যার দায়িত্বে ছিলেন।
নিহতের স্ত্রী সায়কা ইয়াছমিন বলেন, গত মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়ে কর্মস্থলে যান আজিজ। পরে বুধবার বেলা ১১টার দিকে তার সঙ্গে আমার মোবাইলে সর্বশেষ কথা হয়। দিবাগত রাত ১টার দিকে খবর পাই, আজিজের লাশ মাঠে পড়ে আছে।
তিনি আরও বলেন, প্রায় এক বছর ধরে আজিজ হোটেল বে-ওয়াচে চাকরি করছেন। তিনি হোটেলের স্টাফ কোয়ার্টারে থাকতেন এবং হোটেলের গরুর খামার দেখাশোনা করতেন।
স্ত্রী সায়কা ইয়াছমিন বলেন, আমাদের সংসারে তিনটি মেয়ে রয়েছে। সন্তানদের নিয়ে কী করব ভেবে পাচ্ছি না।
নিহতের পরিবারের দাবি, আজিজকে মারধর কিংবা শ্বাসরোধে হত্যার পর খোলা মাঠে ফেলে রেখে গেছে হত্যাকারী। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার রহস্য উন্মোচন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
হোটেল বে-ওয়াচের উপমহাব্যবস্থাপক এনায়েত উল্লাহ বলেন, নিহত আবদুল আজিজ গরুর খামার দেখাশোনা করতেন। তিনি এখানকার স্থানীয়। তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। হোটেলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, বুধবার রাত সোয়া ১২টার দিকে হোটেল বে-ওয়াচের স্টাফ কোয়ার্টারের উত্তর পাশের খালি জায়গায় আবদুল আজিজের মরদেহ পড়ে ছিল। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের পর মূল রহস্য জানা যাবে।
আরটিভি/আইএম