images

দেশজুড়ে

সাত বছরের সন্তানের সামনেই অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পিটিয়ে হত্যা

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬ , ০৩:৩৩ পিএম

ঢাকার ধামরাই উপজেলায় সাত বছরের শিশু সন্তানের সামনে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী লিটন সরকারকে আটক করেছে পুলিশ।

রোবাবার (২ আগস্ট) উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের গোমগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম পপি রাণী সরকার (২৭)।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর রাতে পপি রাণীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিহতের স্বামী লিটন সরকার পেশায় সিএনজিচালক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। প্রায়ই স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, রবিবার দুপুরে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে সাত বছর বয়সী সন্তানের সামনেই লিটন লাঠি দিয়ে পপি রাণীকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে সন্ধ্যার দিকে লিটন স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পপি রাণীকে কালামপুর হলি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন লিটন সরকারকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।

আরও পড়ুন
Web-Image10

সিলিং ফ্যানে ঝুলছিল ‘সেজেগুজে’ থাকা ফারজানার মরদেহ, কী ঘটেছিল

নিহতের বাবা পরিমল সরকার অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় মারধর করা হতো। নির্যাতনের কারণে আগেও কয়েকবার তিনি মেয়েকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়েছিলেন। পরে জামাই ক্ষমা চেয়ে আবার পপি রাণীকে নিয়ে যান।

তিনি বলেন, এবারও মারধরের কারণেই তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।

ধামরাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের অভিযোগ গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/ এসকেডি