মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬ , ০৫:০৭ পিএম
পটুয়াখালীতে যৌনপল্লী থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় শহরের সদর রোডসংলগ্ন যৌনপল্লী এলাকার মনু মিয়ার বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাসেল হাওলাদার (৪৫) ওরফে কালা রাসেলের বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের বাদুরা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের রাজ্জাক হাওলাদারের ছেলে ও পেশায় একজন মুদি ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৪টার দিকে কালা রাসেল যৌনপল্লীর মনু মিয়ার বাড়িতে নাজমার কক্ষে প্রবেশ করেন। এর প্রায় আধা ঘণ্টা পর তাকে কক্ষের ভেতরে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
খবর পেয়ে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম শুরু করে পুলিশ।
নাজমা নামের ওই যৌনকর্মী জানান, বিকেলে রাসেল তার কাছে যান। কিছু সময় একসঙ্গে থাকার পর হঠাৎ অসুস্থ বোধ করছেন বলে জানান। এরপর তিনি পানি আনতে যান। ফিরে এসে দেখেন রাসেলের চোখ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং তিনি আর কোনো কথা বলতে পারছেন না। এর আগেও রাসেল বিভিন্ন সময় তার কাছে সময় কাটাতে এসেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যৌনকর্মী নারী বলেন, আমাকে পাশের ঘরের একজনে কল দিয়া জানাইছে- বান্ধবী একটা লোক আসছে, নাজমার ঘরে কাম করার পর নাকি লোকটা নাকি অসুস্থ হইয়া পড়ছে। গামছা পরা অবস্থায় গোসল করার আগ মুহুর্তে দুইটা ঢেকুর দিয়া অচেতন হইয়া পড়ছে। আমি এটা শুনে পুলিশকে জানাইছি, তারপর পুলিশ আসছে।
স্থানীয়দের ধারণা, অতিরিক্ত যৌন উত্তেজক ওষুধ সেবনের কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
আরটিভি/আইএম