মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০ , ০৬:১০ পিএম
ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করা হলেও উপকূল অঞ্চলে এখনও আম্পানের কোনও প্রভাব পড়েনি। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ভ্যাপসা গরমে পাশাপাশি রোদ আর মেঘের লুকোচুরি চলছে। উপকূলের মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য ৭৫০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হলেও এখানে এখনে কেউ আসেনি বলে জানা গেছে এবং সব ক’টি আশ্রয় কেন্দ্রই এখন ফাঁকা রয়েছে।
এদিকে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মো. মতিউল ইসলাম চৌধুরী জানান, তাদের সব ধরণের প্রস্তুতি রয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৭৫০টি আশ্রয়কেন্দ্র, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির ২৫টি টিম, ফায়ার সার্ভিস, ভলান্টিয়ার গ্রুপ। খোলা হয়েছে জেলা ও উপজেলায় কন্ট্রোল রুম। মজুত রয়েছে নগদ ২০ লাখ টাকা ও শিশু খাদ্যের জন্য ৯ লাখ টাকা ও ৪৫০ মেট্রিক টন চাল। রয়েছে পর্যাপ্ত শুকনো খাবারও।
অপরদিকে, সাগর উত্তাল থাকায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জেলেরা তাদের ট্রলার নিয়ে উপকূলের দিকে ফিরে এসেছে। পায়রা সমুদ্র বন্দরে অবস্থানরত জাহাজগুলোকে নিরাপদে রাখতে বরিশালে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে এবং গভীর সাগরের জাহাজগুলোও নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পায়রা বন্দরের সহকারী পরিচালক (নিরাপত্তা) মো. সোহেল মীর।
এসএস