শনিবার, ১৩ মে ২০১৭ , ০১:১০ পিএম
বনানীর রেইন ট্রি হোটেলে ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম।
শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায় মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটি।পরিদর্শন শেষে বেলা ১২ টার দিকে তিনি এ কথা বলেন।
মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত কমিটির কাছে রেইন ট্রি হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ২৮ মার্চ কোনো অস্বাভাবিক ঘটনা তাদের চোখে পড়েনি।
এদিকে শনিবার সকালে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর হোটেলে অভিযান চালায়। তবে অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অস্বাভাবিক কিছু পায়নি বলেও জানায় হোটেল কর্তৃপক্ষ।
বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে মানবাধিকার কমিশন অভিযোগ আমলে নেয়। দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে কমিশনের চেয়ারম্যান পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে।
কমিটির সদস্যরা হলেন কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, অবৈতনিক সদস্য নুরুন নাহার ওসমানী, এনামুল হক চৌধুরী, পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) মো. শরীফ উদ্দীন ও সহকারী পরিচালক (অভিযোগ ও তদন্ত) এম রবিউল ইসলাম।
গেলো ৬ মে বনানী থানায় মামলা দায়ের করেন দুই তরুণী। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৮ মার্চ পূর্বপরিচিত সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওই দুই তরুণীকে জন্মদিনের দাওয়াত দেয়। এরপর তাদের বনানীর ‘কে’ ব্লকের ২৭ নম্বর সড়কের ৪৯ নম্বরে রেইনট্রি নামের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়।
এজাহারে আরো অভিযোগ করা হয়েছে, সেখানে দুই তরুণীকে হোটেলের একটি কক্ষে আটকে রেখে মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। এ ঘটনা সাফাতের গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিও করানো হয় বলেও উল্লেখ করা হয় এজাহারে। ধর্ষণ মামলার আসামিরা হলো- সাফাত আহমদ, নাঈম আশরাফ, সাদমান সাকিফ, সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।
এসএস/ এমকে